বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষ। বেইজিংয়ে চীনের পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিং-এর সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের বৈঠকে এই অঙ্গীকার উঠে আসে। এদিকে চীন সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান গতকাল বুধবার বেইজিংয়ে চায়নিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্স সিপিপিসিসি চেয়ারপারসন ওয়াং হুনিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-চীন সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংযোগ ও উন্নয়নে গভীরতর সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের চলমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণে পারস্পরিক আগ্রহ প্রকাশ করে। এ সময় বাংলাদেশ-চীন সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে দুপক্ষ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত হয়।
বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
উল্লেখ্য যে, তিন দিনের চীন সফরে গত মঙ্গলবার (৫ মে ২০২৬) বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনসাল জেনারেল ওয়েই হুয়াশিয়াং। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।