রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা : কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদ বিচ্ছিন্ন সীমান্তবর্তী রৌমারী ও রাজিবপুর, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা তিন টির রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মহাসড়ক রৌমারী টু ঢাকা নির্মাণের পর সংস্কারের অভাবে দিন দিন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সম্প্রতি অতি বৃষ্টি, অধিক যানবাহন চলাচলের চাপ ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারে সড়কের ৩৫ কিঃ মিটারে শতাধিক খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ঢাকা গামী বাস, ট্রাক,কাভার্ড ভ্যান,ট্যাংকলড়ি, যাত্রী বহনকারী অটোরিকশা, অটোবোরাকসহ বিভিন্ন রকমের যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।
রৌমারী - রাজিবপুর - দেওয়ানগঞ্জ ৩টি আন্ত উপজেলার ৮ লক্ষাধিক মানুষের চলাচলের মহাসড়কটির খানাখন্দ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। স্কুল কলেজ, মাদ্রাসার কোমলমতি শিশু ও শিক্ষক - শিক্ষার্থী, সরকারি - বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যানবাহন নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করছে।
ব্রহ্মপুত্র নদ বিচ্ছিন্ন দুটি উপজেলায় সড়ক ও জনপদের কোন অফিস না থাকায় মহাসড়কটির জন্তিরকান্দা স্লুইসগেট, চাক্তাবাড়ি, কর্তৃমারী বড় দীঘির পাড়,ধনারচর,সায়দাবাদ রাজিবপুর উপজেলার কোমর ভাঙ্গি স্লুইসগেট, শিবের ডাঙ্গি,মরিচাকান্দি, বটতলা তেলের পাম্প, ফায়ার সার্ভিসের , ধুলা উলা স্লুইসগেট পর্যন্ত ৩৫ কিঃ মিঃ এলাকায় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হলেও দেখার কেউ নেই । আসন্ন ঈদুল আজহার আগে সংস্কারের কাজ না করলে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঈদ যাত্রা ব্যাহত হবে।
কোমরভাঙ্গি গ্রামের সহকারী শিক্ষক সুলতান আহমদ জানান, সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শতশত বাস- ট্রাক জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করে। বৃষ্টি পানি নিষ্কাশনের কোন ড্রেন না থাকায় ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারে সড়কের দুপাশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
ট্রাকচালক মাজেদ মিয়া জানান রাতে অনেক ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। সড়কটি সংস্কার হওয়া দরকার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ আলাউদ্দিন জানান সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টি জেনেছি, সড়ক ও জনপদ বিষয়টি দেখতে চেয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রকৌশলী জানান সড়কটি জামালপুর জেলার অধীনে রয়েছে। সংঙ্কারের কাজ তারাই করবে।