নারায়নগঞ্জ সংবাদদাতা : আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে ৩৭টি গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিকের বেতন বোনাস প্রদান ঝুকিপূর্ণ হিসেব চিহৃত করা হয়েছে। এসব কারখানায় যাতে শ্রমিকরা নিদিষ্ট সময়ে মধ্যে বেতন বোনাসসহ যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধ করতে পারে সেজন্য বিকেএমইএ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশসহ সংশ্লষ্ট দপ্তর কাজ করছে জানিয়েছে বিকেএমইএ নেতারা।
রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় অবস্থিত বিকেএমইএ’র প্রধান কার্যালয়ে নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং নিদিষ্ট সময়ে মধ্যে গার্মেন্টস মালিকরা যাতে শ্রমিকের বেতন বোনাস পরিশোধ করে এই লক্ষ্যে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে গার্মেন্টস মালিক, জেলা প্রশাসন, শ্রম অধিদপ্তর, সেনাবাহিনী, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশসহ বিভিন্ন স্টোক হোন্ডাদের প্রতিনিধিরা এই যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্তি ডিআইজি আসাদুজ্জামান জানান, ঈদকে সামনে রেখে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারিতে এবার ঈদে শ্রমিকের বেতন বোনাস নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে এমন ৩৭টি কারখানাকে চিহিৃত করা হয়েছে। এই ৩৭টি কারাখানায় কি ভাবে শ্রমিক অসন্তোষ ছাড়া শ্রমিকের প্রাপ্য বেতন বোনাস পেতে পারে জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা তাগিদ দেন।
নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বোনাস প্রদান নিয়ে যেন কোন প্রকার অসন্তোষ না হয় সে জন্য মালিতরা কাজ করছে। গার্মেন্টস মালিবকদের অভিযোগ কিছু কিছু জায়গা কিছু চিহৃত শ্রমিক নেতারা শ্রমিকদের নানা ইস্যুতে উস্কে দিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করে তারা ফায়দা লুটে। এসব অপকর্ম যাতে কেউ ঘটাতে না পারে সেজন্য আইনশৃৃংখলা বাহিনীকে সজাগ দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেন তারা।
বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ঝকিপূর্ণ হিসাবে চিহৃত ৩৭টি কারখানার মালিকের সাথে যোগাযোগ করে তারা যাতে সঠিক সময়ে শ্রমিকের বেতন বোনাস প্রদান করতে পারে সেজন্য বিকেএমইএ কাজ করে যাচ্ছে। হাতেম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক আদেশের কারণে নারায়ণগঞ্জ প্রিমিয়ার ব্যাংক সকল প্রকার গ্রহকের লেনদেন বন্ধ রয়েছে। এই ব্যাংকের গ্রাহক হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের ২৯টি র্গামেন্টস কারখানা মালিক। যে কারণে এবার ঈদে এই ২৯টি কারখানার শ্রমিকের বেতন বোনাস প্রদান করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশংঙÍা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি আমারা অর্থ ও শ্রম উপদেষ্ট, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর আমাদের কিছু দিক নির্দেশা দিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত ফিরতি কোন চিঠি দিয়ে কোন উদ্দ্যোগ নেয়নি।