জনদুর্ভোগ চরমে
বাহুবল হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা : পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ বন্ধ করে দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বাহুবল উপজেলার ৬ নং মিরপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ৩ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি জীবন কাটাচ্ছে। কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে গ্রামগুলোর পথঘাট ডুবে আছে। বর্ষার পানির সঙ্গে তলিয়ে গেছে প্রায় ৫শত একর জমির ফসল।
জানা যায়, মিরপুর মহিলা কলেজ সংলগ্ন ময়লার স্তুপ ও পানি নিস্কাশনের ড্রেন দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ থাকায় সম্প্রতি দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা সহ বিভিন্ন অন লাইন পোর্টাল স্থানিয় ও জাতীয় প্রায় ২০ টি পত্রিকায় একযোগে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব উজ্জ্বল রায় সরেজমিনে এসে ময়লার স্তুপ অপসারণ সহ পানি নিস্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।
বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও
নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) : বৈশাখের মাঝামাঝি সময়ে তীব্র দাবদাহে পুড়ছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা। প্রখর রোদ ও অসহনীয় গরমে জনজীবন যখন এমনিতেই হাঁসফাঁস করছে, ঠিক তখনই ঘন ঘন লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। স্থানীয়রা জানান, দিনে কয়েকবার এবং রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকছে। ফলে শিশু, বয়স্ক ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই রাত জেগে সময় কাটাচ্ছেন।
ট্রান্সমিটার চুরি
বুড়িচং (কুমিল্লা) : কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার গাজীপুর গ্রামের পয়াত মাঠে সেচ পাম্পের তিনটি ট্রান্সমিটার চুরির ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। গত তিন মাসে একই স্থানে দুইবার ট্রান্সমিটার চুরির ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। সময়মতো সেচ না পেলে প্রায় ১৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি গভীর রাতে উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের গাজীপুর এলাকার পয়াত মাঠে পরিচালিত একটি সেচ প্রকল্পের গভীর নলকূপ থেকে তিনটি ট্রান্সমিটার চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সকালে কৃষকরা মাঠে গিয়ে ট্রান্সমিটার না দেখে নলকূপ মালিককে বিষয়টি জানান। তবে ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো ট্রান্সমিটার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।