বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: পটুয়াখালীর বাউফলে ঊর্মী নামের এক কিশোরীকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা চালায় পরিবার। ওই ঘটনার এক সপ্তাহ পর পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে উর্মীর বাবা-মা ও দুলাভাইকে সম্প্রতি গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠায়।
বাউফল থানায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) আরিফ মুহাম্মদ শাকুর।
সম্প্রতি উপজেলার কুম্ভখালী গ্রামের বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে খাল থেকে কিশোরী উর্মি ইসলামের (১৪) মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে তাকে খুনের অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে থানায় মামলার আবেদন করেন তার বাবা নজরুল ইসলাম।
আরিফ মুহাম্মদ শাকুর বলেন, তদন্তে হত্যার মূল কারণ বেরিয়ে আসে। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিশোরীর বাবা নজরুল ইসলাম, মা আমেনা বেগম ও ভগ্নিপতি কামাল হোসেনকে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পুলিশের কাছে তারা ওই কিশোরীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের তিনজনকে আজ বুধবার আদালতে হাজির করা হয়। তারা ওই কিশোরীকে হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
পুলিশের ভাষ্য, উর্মির সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০ আগস্ট দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার বাকবিত-া হয়। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার গলাটিপে ধরলে নিশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায় উর্মি। এরপর তার বাবা-মা ও ভগ্নিপতি মিলে মরদেহ খালে নিয়ে ফেলে দেন। এরপর পুলিশের একাধিক ইউনিট মামলার তদন্ত শুর” করলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসে।