নলডাঙ্গা সংবাদদাতা : সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে শিক্ষক বাবর আলী মাষ্টার ও ব্যবসায়ী শামীম হোসেনের পরিবারের উপর হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে নলডাঙ্গা থানা মসজিদের ইমাম আবু বকর সিদ্দিক ও তার সহযোগীদের বির”দ্ধে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ঘটনায় বাবর আলী মাস্টারের ভাই গোলাম রাব্বানী হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইমাম আবু বকর সিদ্দিক ও তার পরিবারের উপর হামলার মিথ্যা অভিযোগ এনে আবু বকর ও তার সহযোগীরা সম্প্রতি দুপুরের দিকে কালিগঞ্জ ঘাট এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। ইমাম আবু বকর ও তার পরিবারের উপর হামলার মিথ্যা অভিযোগে করা ভিত্তিহীন মানববন্ধনের প্রতিবাদে পাল্টা মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক বাবর আলী ও কালীগঞ্জ (রায়সিংহপুর ও ভূষণগাছাপূর্বপাড়া) এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। মামলার রায় হওয়ার আগেই প্রতিপক্ষ নলডাঙ্গা থানার মসজিদের ইমাম জোরপূর্বক তার ক্রয়কৃত জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মানববন্ধনে অংশ নেয়া এলাকাবাসী মার”ফ আলীসহ সবাই অভিযোগ করে বলেন “আমরা একটি শিক্ষিত ও সম্মানিত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের বির”দ্ধে মিথ্যা হামলার ও হত্যার হুমকির ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে গত ২৭ আগস্ট (বুধবার) মানববন্ধন করেছে ইমাম আবু বকর ও তার সহযোগীরা অথচ মানববন্ধনে তারা যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। এ ব্যাপারে বাবর আলী জানান, আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্র”ত শাস্তি চাই। স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “শিক্ষক পরিবারের উপর এই ধরনের হামলা আমাদের সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। এভাবে চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।”
অভিযোগকারী শিক্ষক পরিবারের সদস্যরা আলমগীর হোসেন, শামীম হোসেন,বাবর আলী মাস্টার বলেন, “আমরা আদালতের ওপর আস্থা রেখে মামলা পরিচালনা করছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ জোর করে জমি দখল করতে চাইছে। আমাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।”
নলডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, “বিষয়টি আমরা গুর”ত্ব সহকারে দেখছি। মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারবে না। সেই বিষয়ে আমার সজাগ আছি।
মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী শিক্ষক পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার এবং দোষীদের দ্র”ত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানায়। মানববন্ধনে এলাকার দুই শতাধিক নারী পুর”ষ শিশুরা অংশগ্রহণ গ্রহণ করেন।