শেরপুর সংবাদদাতা : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। এরই অংশ হিসেবে শ্রীবরদী উপজেলার ৭নং ভেলুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে সম্প্রতি ঝগড়ারচর বাজারে ব্যাপক জনসংযোগ শেষে ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও শেরপুর জেলা সেক্রেটারি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের মনোনীত এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব মো. নূরুজ্জামান বাদল।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা জনগণের জন্য একটি চাঁদামুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ে তুলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই সংগ্রাম জনগণের সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নৈতিক সমাজ গঠনে জামায়াত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমেই আগামীতে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশের মর্যাদা বিশ্ব দরবারে আরও উঁচু হবে, অন্যের কাছে হাত পাততে হবে না।
আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, জামায়াত ইসলামী ন্যায় ও আদর্শের ভিত্তিতে দেশকে পরিচালিত করতে চায়। দেশের সম্পদ ও জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে জামায়াত ইসলাম মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। একটি আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়তে যা প্রয়োজন সবই করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা পশ্চিমের আমীর ফারুক আহমেদ, রূপগঞ্জ উপজেলা পশ্চিমের সেক্রেটারি হানিফ ভূঁঞা, কায়েতপাড়া ইউনিয়নের সভাপতি মহিউদ্দিন ভূঁইয়া, কায়েতপাড়া ইউনিয়নের সহসভাপতি ইসমাইল মিয়া, মুড়াপাড়া ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ।
নোয়াখালী সংবাদদাতা : নোয়াখালী-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকারের নির্বাচনী প্রচারণায় শ্রমিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
শ্রীপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা : মাগুরা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মতিনের নির্বাচনী পথসভা উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি মাগুরা সদর উপজেলার রাঘবদাইর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এ গণসংযোগ পথসভা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে পশ্চিম বাড়িয়ালা বাজারে সাধারণ মানুষের কাছে জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতিকে ভোট কামনা করেন।
বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ আব্দুল মতিন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য, যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক ও মাগুরা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মাগুরা জেলা ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক সাইদ আহম্মেদ বাচ্চু, অফিস সেক্রেটারি খায়রুল ইসলাম, মাগুরা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ সাইফুল্লাহ, অমুসলিম শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক প্রনয় কুমার বিশ্বাস,রাঘবদাইর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ শামীমুল ইসলাম, সেক্রেটারি আবুল কাসেমসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীবৃন্দ।
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড কোরানীয়া ইউনিটের সৈয়দ বাড়ীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং হাটহাজারী উত্তর অঞ্চলের পরিচালক মো. আবদুল আজিজ খান। তিনি বলেন, “দাঁড়িপাল্লা প্রতীক হচ্ছে ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রতীক। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দলীয় নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও পরিশ্রম করতে হবে।
সভাপতিত্ব করেন ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মো. মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটের মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বায়তুলমাল সম্পাদক মো. মনির উদ্দীন। তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত হয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক মানে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জনগণের আস্থার প্রতীক। ইসলামপন্থি রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, কৃষক ও তরুণ প্রজন্মসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।