বর্ণাঢ্য আয়োজনে খুলনা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে নগরীর শিববাড়ি মোড় থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। খুলনা জিলার ঐতিহ্যের ১৪৪ বছর পূর্তিতে এবারে ছিল ব্যতিক্রম আয়োজন। প্রখর রোদ উপেক্ষা করে ঢাকঢোল ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন খুলনার মানুষ। নানা শ্রেণি-পেশা, সাংস্কৃতিক কর্মী ও রাজনীতিকদের উপ¯ি’তিতে উৎসবে পরিণত হয় খুলনার জন্মদিন। দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ও কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান। আলোচনায় অংশ নেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাহাফুজুর রহমান, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু প্রমুখ।

১৮৪২ সালে ভৈরব-রূপসাবিধৌত নয়াবাদ থানা ও কিসমত খুলনাকে কেন্দ্র করে নতুন জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় খুলনায়। খুলনা মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ব্রিটিশদের প্রশাসনিক এলাকা বৃদ্ধি ও ভৌগোলিক অব¯’ার কারণে খুলনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মাত্র ৪০ বছরের ব্যবধানে ৪ হাজার ৬৩০ বর্গমাইল এলাকা, ৪৩ হাজার ৫০০ জনসংখ্যা-অধ্যুষিত খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরাকে নিয়ে ১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে খুলনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী খুলনার ১৪৫তম জন্মদিন আজ। এর আগে খুলনা ছিল যশোর জেলার মহকুমা। ব্রিটিশ শাসক ডব্লিউ এম ক্লে জেলার প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।