উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কমিউনিটির উদ্যোগ ও দাবি বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার তিলডাঙ্গা ইউনিয়নে “জীবন ও জীবিকায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে টিকে থাকার জন্য কমিউনিটি উদ্যোগ ও দাবিদাওয়ার বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা বিষয়ক মাঠ পরিদর্শন ও কর্মশালা” অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানানো হয়।
জাগ্রত যুব সংঘ (জেজেএস) এর বাস্তবায়নে, কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড-এর সহযোগিতা এবং কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি-এর অর্থায়নে পরিচালিত ইআরসিসি প্রকল্প ২০২৪ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি উপকূলীয় দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার সহনশীলতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এর মাধ্যমে সরাসরি ৪,১৪৯টি পরিবার (১৮, ৬৭১ জন) এবং পরোক্ষভাবে আরও ৩৭,২০৩ জন মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রকল্প এলাকার মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ঘুরে দেখার পর বিকেলে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন গণমাধ্যমকর্মীরা।
আলোচনায় বক্তারা জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব চিহ্নিত করে অভিযোজন পরিকল্পনা ও জলবায়ু সংবেদনশীল বাজেট বরাদ্দে ইতিবাচক অগ্রগতি এসেছে। ইআরসিসি প্রকল্পের সহায়তায় ২০২৩-২৪ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬টি ইউনিয়নে বাজেট বরাদ্দ ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ শতাংশে উন্নীত হওয়া এ অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।