বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বলেছেন, আমরা সকলেই এই দেশের নাগরিক। আমরা সবাই বাংলাদেশে একসাথে বসবাস করি এবং একে অপরকে সম্মান করতে হবে। এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাস।
তিনি সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির কার্যকরী সভাপতি বিশ্বজিৎ দেব, সহ সভাপতি হারাধন সূত্রধর, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় দে, কাজল কান্তি বিশ্বাস, লিটন চন্দ্র ভৌমিক, সঞ্জীব শর্মা, সুবল কুমার দাস।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিনিধি দলে ছিলেন নগর ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী, ইসলামী শ্রমিক সংঘের সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সেক্রেটারি মোঃ ইয়াসিন যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শাহ আলম, শ্রমিক কল্যাণ বন্দর থানা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম আদনান, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আজিম,বিআরইএল/জেটি শাখা কার্যকরী সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন প্রমুখ। এস এম লুৎফর রহমান বলেন, এই মন্দিরের পাশে বায়তুল আরাফ মসজিদের অবস্থান। আজ পর্যন্ত এই মসজিদ ও মন্দির নিয়ে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। আমাদের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট ছিল। এক্ষেত্রে উভয় ধর্মের মানুষ বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে। এই দেশটি আমাদের সকলের। এই দেশকে আমরা সকলে ভালোবাসি। এই দেশের পতাকাকে আমরা সম্মান করি। আমরা চাই এই পতাকা স্বাধীনভাবে উড্ডীন হোক আমরা তা চাই। আমরা যে ধর্মের হই না কেনো, হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম বা অন্য কোনো ধর্ম, আমাদের পরিচয় আমরা এদেশের নাগরিক। তিনি বলেন, জামায়াতের ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু এবং সংখ্যাগুরু থাকবে না। সকলে বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মর্যাদার ভিত্তিতে বাঁচতে চাই। আমরা মসজিদ যেমন রক্ষা করবো তেমনিভাবে মন্দিরে কোনো আঘাত না আসে সেই চেষ্টা করবো। আমরা সকলে মিলেমিশে একে অপরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। এস এম লুৎফর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে হবে চাঁদাবাজ, ডাকাত ও সন্ত্রাস মুক্ত। আমরা নতুন বাংলাদেশে দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়তে চাই। এটি গড়তে পারলে সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও স্বস্তির সাথে বসবাস করতে পারবো। আসুন আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হই। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।