বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নে অবহেলিত জনপদের বেহাল পরিস্থিতি, জনদুর্ভোগ চরমে। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিতে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা ৮নং ওয়ার্ডের এমদাদ মিয়া চৌধুরী পাড়া ও হিন্দু পাড়া হয়ে খাটখালী বাজার সংযোগ সড়ক, ৭ নং ওয়ার্ডের হাব্বানিয়া বাজার থেকে উত্তর দিকে সমদ আলী সিকদার বাড়ি হয়ে হামিদ আলীর টেক সংযোগ সড়ক, হাব্বানিয়া বাজার থেকে দক্ষিণ দিকে মৌলানা আলীর বাড়ি হয়ে দরফ আলী পাড়া সংযোগ সড়ক, ১ নং ওয়ার্ডের মনাজি পুকুর পাড় থেকে ৩ নং ওয়ার্ডের হাদীর পাড়া সিকদার বাড়ি হয়ে গণ্ডামারা বাজারের পশ্চিমে নাপিত পাড়া সংযোগ সড়ক, হাদীর পাড়া মুজিব কিল্লা পূর্ব পাশে দীঘির পাড় হয়ে সিকদারো নতুন বাড়ি সংযোগ সড়ক, গণ্ডামারা বাজার থেকে মোয়াজ্জিন পাড়া হয়ে গণ্ডামারা- বড়ঘোনা উচ্চ বিদ্যালয় সংযোগ আশরাফ আলী সড়ক, ধুপি সড়ক থেকে গণ্ডামারা রহমানিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা সংযোগ সড়কসহ ওই ইউনিয়নের প্রতিটি জনপদের এখন নাজুক পরিস্থিতির কারণে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গণ্ডামারা ইউনিয়নের বিভিন্ন জনপদের নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে, দীর্ঘ ১৬/১৭ বছর যাবৎ গণ্ডামারা ইউনিয়নের দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি, নির্বাচনের সময় এমপি থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান -মেম্বাররা সড়ক উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে ওইসব জনদরদী প্রতিনিধিরা কোনো ধরনের প্রতিশ্রুতি পালন করেনি। গণ্ডামারার রাস্তাঘাটের নাজুক পরিস্থিতি দেখলে অভিভাবকহীন একটি ইউনিয়ন বলে স্বাভাবিক ভাবেই ধারণা করা যায়।
স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মীরা বলেন, এলাকার ছোটখাটো রাস্তার উন্নয়ন কাজ গুলো সরকারি টিআর, কাবিখার বরাদ্দ দিয়েও সম্পন্ন করা যায়, এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের ১% এর টাকা দিয়ে কাজ করলেও গ্রামীণ জনপদের এমন নাজুক পরিস্থিতি হতো না, কিন্তু বিগত ১৬/১৭ বছর যাবৎ অবহেলিত গণ্ডামারার ব্যস্ততম জনপদ গুলোতেও দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন আমরা দেখিনি। বর্তমানে পুরো গণ্ডামারার প্রায়ই জনপদে এখন অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, জনদুর্ভোগেরও অন্ত নেই। ওইসব জনপদ দ্রুত সংস্কার করা না হলে আরও চরম দুর্ভোগে পড়বে সাধারণ মানুষ। এ সময় অবহেলিত জনপদ গুলো দ্রুত সংস্কার করতে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।