ধুনট সংবাদদাতা: পাট বাংলাদেশে প্রথম সারির অর্থকরী ফসল গুলোর মধ্যে উন্নতম। দেশে যখন আদমজিসসহ বেশ কিছু প্রক্রিয়াকরন পাটকল সচল ছিল তখন থেকেই পাট দেশের সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত। যা রপ্তানী করে বৈদেশীক মুদ্রা অর্জন করা হয়। পাট বিভিন্ন চাহিদা পুরনের পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এখন আর পাট শুধু বস্তা বা ব্যাগ তৈরীতেই ব্যবহৃত হয় না বরং পাট আঁশ থেকে নানা ধরনের শোপিজসহ বিভিন্ন সৌখিন সামগ্রী তৈরী হয়ে থাকে।

নানা উপায়ে এই পাটের আঁশ ছাড়ানোর পদ্ধিতি চালু থাকলেও। পানিতে পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাটের আঁশ ছাড়ানো পদ্ধতিটা অতি প্রাচীন। বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলায় চলতি মৌসুমের উৎপাদিত পাট থেকে পানিতে পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাটের আঁশ ছাড়াতে ব্যাস্ত সময় পার করছে প্রান্তিক চাষিরা। চলতি মৌসুমে বৃষ্টির কারনে জমিতে পানি জমজমে না থাকায় আঁশ ছাড়াতে বেগ পোহাতে হচ্ছেনা। গত বছরের তুলনায় পাট গাছে খুব একটা অবাঞ্চিত শেকড় হয়নি। ন্যায্য দাম পেলে পাট চাষ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন স্থানীয় চাষিরা। মৌসুম অথবা মজুদের পর পাট বিক্রি করলেও, অধিকাংশ গ্রামের গৃহস্থরা আঁশ ছাড়ানো পাট খড়ি জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে আসছে যুগ যুগ ধরে। জ্বলানী হিসেবে বাজারে পাট খড়ির চাহিদাও কম নয়।