গৌরনদী (বরিশাল) সংবাদদাতাঃ পান চাষি সমিতি বরিশালের গৌরনদী উপজেলা কমিটির আয়োজনে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী পান চাষিদের রক্ষার জন্য পান রপ্তানি বৃদ্ধিসহ আট দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড ও উপজেলা চত্বরে সমাবেশ করেছেন।রপ্তানি কর বৃদ্ধির কারণে বিদেশে যাচ্ছেনা পান। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অর্থকারী মুখরোচক খাবার পান। ফলে পানের বাজার নায্যমূল্য পাচ্ছে না চাষিরা। দিনের পর দিন একারনে ঋণগ্রস্থ হয়ে হতাশ চাষিরা এসব সমস্যা দ্রুত সময়ে নিরসনের জন্য আট দফা দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পান চাষি সমিতি বরিশালের গৌরনদী উপজেলা কমিটি আট দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড ও উপজেলা চত্বরে সমাবেশে শেষে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী পান চাষিদের রক্ষার জন্য পান চাষি সমিতির উপজেলা আহ্বায়ক মনির হোসেন সরদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন, জাতীয় কৃষক ক্ষেত মজুর সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার তিনি বলেন-পান চাষিরা লাখ লাখ টাকা এনজিওর কাছ থেকে ঋণ নিয়ে পান চাষ করছেন। তাদের বাঁচাতে দ্রুত ব্যবস্তা নিতে হবে। বর্তমানে বাজারে পানের নায্যমূল্য না পেয়ে চাষিরা ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, পান রপ্তানি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে পানের দাম কমে গেছে।বিশেষ অতিথির বক্তবে জেলা সভাপতি অধ্যাপক জলিলুর রহমান বলেন-দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পান রপ্তানি করে প্রতিবছরে গড়ে দুই থেকে তিনশ কোটি টাকা আয় করা হতো। গত ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শুল্ক বিভাগের ভুল সিদ্ধান্তকে দায়ী করে তিনি বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে যেখানে প্রতি কেজি পানের রপ্তানি কর ছিল এক ডলার, সেখানে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সেই পানের প্রতি কেজির রপ্তানি কর নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ ডলার। ফলে বিদেশী ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে পান নিচ্ছেন না।