স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর পল্লবীতে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই ভাই বোন গুলীবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পল্লবী থানার এসআই মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, গতকাল শনিবার ভোরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের ১ নম্বর রোডে নিজের বাসার কাছে গুলীতে আহত হয়েছেন মো. জসিম উদ্দিন (৪৪) ও তার ছোট বোন শাহিনুর বেগম (৩০)। জসিম উদ্দীন পেশায় একজন টিভি শো রুমের ব্যবসায়ী। এসআই মিজানুর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

জসিম উদ্দিন কিছুদিন আগে ওই এলাকার ছিনতাইকারী গ্রুপের একজনকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছিল, ওই ঘটনার জেরে তাকে গুলী করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পরিবারের সদস্যরা।

জসীমউদ্দীনের স্ত্রী হেনা আক্তার ও ভাগ্নে শাকিল আহমেদ বলেছেন, ভোরে শবে বরাতের নামায পড়ে মসজিদ থেকে বাসায় যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে। হেনা বলেন, ওই সময় একই এলাকার শরিফ, তুহিন, শহিদুল, সুজন, রিয়াজ, ব্লেড রনির সঙ্গে তার (জসিম উদ্দিনের) কথা কাটাকাটি হয়। তখন শহিদুল জসিমকে গুলী করে।

ভাইয়ের গুলীবিদ্ধ খবর পেয়ে শাহিনুর ছুটে আসলে তাকেও গুলী করা হয় বলেন ভাগ্নে শাকিল আহমেদ জানিয়েছেন। ভাবি-বোন দুজনেরই ডান পায়ের হাটুর নিচে গুলী লাগে জানিয়ে শাকিল বলেছেন, তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শাকিল বলেছেন, জসিম উদ্দিন বেশ কিছুদিন আগে ওই এলাকার ছিনতাইকারী গ্রুপের একজনকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে এরই সূত্র ধরে সন্ত্রাসীরা গুলী করে।

পল্লবী থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে পল্লবী এলাকার একটি অপরাধী চক্র শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার পর জসিম উদ্দিন ও শাহিনূর বেগমকে গুলী করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পল্লবী এলাকায় সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী দলের একজনকে গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করেছিলেন জসিম। এর জেরে অপরাধীরা তাকে গুলী করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে।

খেলতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

কামরাঙ্গীরচরে ছয় তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে ৫ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মো. আমানউল্লাহ নামের শিশুটি স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়ত। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সে ছাদ থেকে পড়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, শিশুটির লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

শিশুটির ফুপু মনি বেগম হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় তারা ভাড়া থাকেন। আমানুল্লাহ বিকেলে খেলার জন্য ভবনের ছয় তালার ছাদে উঠেছিল। যে কোনোভাবে অসাবধানতাবশত সে উপর থেকে নিচে পড়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমানউল্লাহর বাবা ওমর ফারুক দুবাই প্রবাসী। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট।