সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ইতিহাস বিকৃতির জন্য আমরাও দায়ী -তোফায়েল আহমেদ

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আজ মুক্তিযোদ্ধারাও দ্বিধাবিভক্ত। ইতিহাস বিকৃতির জন্য আমরাও দায়ী। আমরাও সত্য কম বলি। তিনি বলেন, যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে না পারি তাহলে একদিন আমাদের ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র সম্পাদিত ‘বার্থ অব বাংলাদেশ এন্ড ইন্টারন্যাশনাল সাপোর্ট' গ্রন্থের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ডেপুটি পীকার কর্নেল (অব:) শওকত আলী। আলোচনায় অংশ নেন, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক আবদুল মান্নান, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জগলুল আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।

জাতি আজ দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে' উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা বিপক্ষ শক্তির মধ্যে বিভেদ থাকলেও মুক্তিযোদ্ধার পক্ষশক্তি ঐক্যবদ্ধ না হওয়া জাতির জন্য দুঃসংবাদ। আজ এই দিনে সব মুক্তিযোদ্ধা পক্ষশক্তিকে এক কাতারে এসে কাজ করতে হবে। মহাজোট সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আজ যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে না পারি তাহলে একদিন আমাদের ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ হতে হবে মন্তব্য করেন তোফায়েল। তিনি বলেন, ইতিহাস বিকৃতির জন্য আমরাও দায়ী দাবি করে তিনি বলেন, ইতিহাস বিকৃত হয়েছে যেমন সত্য তেমনি আমরাও সত্য ইতিহাস কম বলি। আগামী প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হলে এদেশের ইতিহাস যারা ভাল জানেন অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধাদের সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।

শওকত আলী বলেন, এই বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধারা কখনো চাননি। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আজীবনের স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশ স্বাধীন করা। তিনিই ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জনযুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, ‘এখন দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। অথচ সে সময় সম্ভ্রম হারানো মা বোনদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে না। ৭১ সালের জনযুদ্ধে জন অংশগ্রহণ ও ত্যাগের পেছনে ওই সব মা বোনের কথাও দিতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ