শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কালেরকণ্ঠে শিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা

দৈনিক কালেরকণ্ঠে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি আবদুল মান্নানের দেয়া শিবিরকে জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মিথ্যা বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. দেলাওয়ার হোসেন ও সেক্রেটারি জেনারেল মো. আবদুল জববার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি আবদুল মান্নানের এ ধরনের কথা সত্যিই দুঃখজনক। তার বক্তব্য যে সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্ট ও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বক্তব্যেরই পূনরাবৃত্তি তা যে কোন পাঠকই বুঝতে পারবেন। চবি'র ঘটনায় ছাত্রলীগ বিনা উস্কানিতে শিবির নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় শিবিরের দুই নেতা শহীদ হয়েছেন। এখনও চবিতে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা প্রশাসনের নাকের ডগায় অস্ত্রশস্ত্রসহ মহড়া দিচ্ছে। এরপরও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসকে পাশ কাটিয়ে যেনতেন যুক্তি দিয়ে শিবিরকে দোষী বানানোর প্রয়াস আমাদের বিস্মিত করেছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, তিনি খুনীদের বিচারের কোন কথা না বলে আওয়ামী সরকারের কর্তাব্যক্তিদের সুরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের কথা টেনে এনেছেন। এর থেকেই বঝা যায় কতটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও অসৎ উদ্দেশ্যে তিনি এ ধরনের কথা বলেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আবদুল মান্নান চবির সর্বমহলে ঘৃণীত ভিসি ছিলেন। তিনি ভিসি থাকা অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেভাবে সন্ত্রাসীদের মদদ দিয়েছিল তা ছাত্রসমাজসহ সচেতন দেশবাসী অবগত। প্রশাসনের প্রকাশ্য মদদেই তখন শিবির নেতা জুবায়েরকে ৮ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। তিনি ভিসি থাকা অবস্থায় আরো শহীদ হয়েছেন শিবির নেতা রহিম উদ্দিন ও মাহমুদুল হাসান। আমরা মনে করি, এ ধরণের পক্ষপাতদুষ্ট মানুষকে ভিসির পদে বসিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে কলঙ্কিত করা হয়েছিল। এই পক্ষপাতদুষ্ট মানসিকতা আজো সরকার বজায় রাখার কারণেই ছাত্রশিবির, সাধারণ ছাত্রদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ এ ধরনের প্রতিবেদন পরিহার করে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশনে সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত-মিথ্যা বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকতে আবদুল মান্নানের প্রতি আহবান জানান।  

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ