বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

শেয়ারবাজারে দর বৃদ্ধি স্থায়ী হলো না

স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ারবাজারে দর বৃদ্ধি স্থায়ী হলো না। বিগত তিন দিন ধরে দর বৃদ্ধির পর গতকাল আবারও পতন ঘটেছে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমার পাশাপাশি কমেছে সূচক। শেয়ারবাজারের এ দরপতনকে স্বাভাবিকভাবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

গতকাল মঙ্গলবার সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয়। পাঁচ মিনিটে সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে যায়। পরের পাঁচ মিনিটে সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। এরপর আবার সূচক নিম্নমুখী হয় যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। গতকাল ডিএসই মোট  ২৫৯টি কোম্পানির ৬ কোটি ২১ হাজার ৬৮২টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মোট লেনদেনের পরিমাণ ২৩৭ কোটি ১৩ লাখ ৫৪ হাজার ১২১ টাকা যা আগের দিনের চেয়ে ১৫৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা কম। সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১১৩ দশমিক ৩১ পয়েন্ট কমে ৪১৭৭ দশমিক ২২ পয়েন্টে নেমে আসে। অন্যদিকে  ডিএসই ২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৭২ দশমিক ৯০৩ পয়েন্ট কমে ৩৪৩৫ দশমিক ৫৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। লেনদেন হওয়া ২৫৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ১৫টির, কমেছে ২৪১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টি কোম্পানির শেয়ার মূল্য। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ৯টি কোম্পানিটি হলো সাভার রিফেক্টরীজ, ম্যারিকো, রূপালী লাইফ, ডাচ বাংলা, শাইনপুকুর সিরামিকস, গ্রামীণফোন, আইবিবিএল পি বন্ড, ব্র্যাক সেকেন্ড ও রেকিট বেঙ্কাইজার। দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো এইচ আর টেক্স, ম্যাকসন স্পিনিং, দেশ গার্মেন্টস, মডার্ন ডাইয়িং, দুলামিয়া কটন, মেঘনা পেট, আইসিবি এএমসিএল ১ম, পূরবী জেনারেল, জিলবাংলা সুগার ও রেইনউইক যজ্ঞেশ্বর।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২৫৫ দশমিক ২২ পয়েন্ট কমে ১২১৩৯ দশমিক ৬০ পয়েন্টে নেমে আসে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮১টি কোম্পানির মধ্যে ১৬৬ টিরই দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ১২টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৩টি কোম্পানির শেয়ার মূল্য। গতকাল সিএসইতে ৩৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে যা আগের দিনের চেয়ে ২১ কোটি টাকা কম।

এদিকে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে গত রোববার রয়্যাল ক্যাপিটালের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার পর সোমবার একই অভিযোগে র‌্যাপিড সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধেও তদন্ত কমিটি গঠন করে সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর আগে গত সপ্তাহের বুধবার লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এসইসির এ তৎপতার ফলে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছিল বলে মনে করেন সংশিলষ্টরা। তারা বাজারে এসইসির নজরদারি বাড়ানোরও পরামর্শ দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ