শনিবার ১১ জুলাই ২০২০
Online Edition

গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেকসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

কোর্ট রিপোর্টার : ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা শুনানি আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ মামলায় অভিযুক্ত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পলাতক ১২ জনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে।আগামী ২৫ আগস্ট পলাতক আসামীদের বিষয়ে প্রত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য ঢাকার মহানগর দায়রা জজ জহুরুল হক  তারিখ ধার্য্য করেছেন।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৩০ জনকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজির করা অন্যদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম, পুলিশের তিন সাবেক আইজি আশরাফুল হুদা, শহীদুল হক ও খোদা বখশ চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউক, জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নান প্রমুখ। জামিনে থাকা ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুর রহমানও হাজিরা দেন।

গতকাল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পক্ষে এডভোকেট মশিউল আলম, এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক জামিনের দরখাস্ত দেন। আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে আদালতে উপস্থিত করতে দেরি হওয়ায় বিচারক জহুরুল হক আগামী ধার্য তারিখে জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

গত ৩ জুলাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় পৃথক সম্পূরক চার্জশিট আদালতে দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। ওইদিনই হত্যা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে পলাতক ১৮ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এরপর পুলিশের সাবেক তিন আইজি মো. আশরাফুল হুদা, শহীদুল হক ও খোদা বখশ চৌধুরী এবং সাবেক তিন তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ, মুন্সী আতিকুর রহমান, মো. রুহুল আমিন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

পরে ১৪ জুলাই বিস্ফোরক মামলায় চার্জশিট গ্রহণ করে ১২ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিবি এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের জনসভায় সন্ত্রাসীরা ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৩ জনের মৃত্যু হয়। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও তিনি বিভিন্ন শারীরিক সমাস্যাক্রান্ত হন। আহত হন শতাধিক নেতাকর্মী।

এ ঘটনায় মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক ফারুক হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ও সাবের হোসেন চৌধুরী মতিঝিল থানায় পৃথক ৩টি এজাহার দায়ের করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ