বুধবার ২৪ জুলাই ২০২৪
Online Edition

অপরাধ প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নেবে পিএসসি

স্টাফ রিপোর্টার : প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় যাদের নাম উঠে এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ হলে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান মো.  সোহরাব হোসাইন। তিনি বলেন, যে অপরাধ করার অভিযোগ উঠেছে, তা যদি প্রমাণ হয়; তাহলে পিএসসির এখতিয়ারে আছে এমন সব ধরনের সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তুত। এক্ষেত্রে আমরা কাউকে ছাড়  দেবো না। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পিএসসি ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশ্বাস দেন।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদনে ১২ বছর ধরে বিসিএসে ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এখন সব পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের বিষয়গুলো তদন্ত করা হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সোহরাব হোসাইন বলেন, টিভিতে প্রচারিত ওই প্রতিবেদনের পুরোটা আমরা তদন্ত কমিটিকে দিয়েছি। তারা সবটা নিয়েই তদন্ত করবে। তারপরও একটা বিষয় থাকে যখন কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, সেটা তাৎক্ষণিক যদি সামনে আসে; তাহলে ব্যবস্থা নেয়া সহজ হয়। কিন্তু ১২ বছর ধরে যেসব পরীক্ষা হয়েছে, সেগুলো নিয়ে তখন একটি অভিযোগও আসে নি। এখন এতদিন পর সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়াটা কঠিন। আমি এটুকু আশ্বস্ত করতে পারি, আমাদের তদন্তের মধ্যে সব বিষয়গুলো থাকবে।

যে ব্যাখ্যা দিল পিএসপি: গত এক যুগ ধরে বিসিএসসহ ৩০ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের হওয়ার খবরে  দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এমন অবস্থায় প্রশ্নপত্র মুদ্রণ থেকে শুরু করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে পিএসসির প্রশ্নফাঁস হয়েছে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি। অবশ্য গত ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বা প্রতারণার ঘটনা ঘটলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পিএসসি। গত সোমবার রাতে পিএসসি থেকে একটি  প্রেসবিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। বিজ্ঞপ্তিতে চ্যানেল  টোয়েন্টিফোরে প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার দুইদিন পরে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের বিষয়টি যথাযথ কি না তা নিশ্চিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এতে বলা হয়, ‘গত ৫ জুলাই শুক্রবার অনুষ্ঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রেলওয়ের নন-ক্যাডার ‘উপ-সহকারী প্রকৌশলী’ পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ওইদিন পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে প্রতিবেদকের (চ্যানেল টোয়েন্টিফোর টিভির) হোয়াটসঅ্যাপে আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ