রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪
Online Edition

অল্প পরিশ্রমে অতিরিক্ত ঘামে করণীয়

তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও বাতাসে আর্দ্রতা বেড়েছে। ফলে ঘামজনিত অস্বস্তি বেড়েছে। অনেকের খুব কম ঘাম হয়। অনেকে অতিরিক্ত ঘামেন। বিশেষ কোনও শারীরিক পরিশ্রম না করেও ঘামতে থাকেন অনেকে। অতিরিক্ত ঘাম বিশেষ রোগের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘাম শরীরে হাইপারহাইড্রোসিস রোগের লক্ষণ হতে পারে। এই রোগের কারণে শরীরে পানির ঘাটতি হয়। যা মারাত্মক হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এর লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে তথ্য থাকা জরুরি। চিকিৎসকরা জানান, ঘাম হওয়া একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। এটি শরীরের শীতল ব্যবস্থার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ঘাম হয়। কিন্তু আপনি যদি অতিরিক্ত ঘামেন তবে তা খারাপ স্বাস্থ্যের লক্ষণ। মানুষের শরীরের ঘামের গ্রন্থিগুলো বেশি সক্রিয় হয়ে উঠলে হাইপারহাইড্রোসিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর ফলে অতিরিক্ত ঘাম হয়। এই রোগে, একজন ব্যক্তি বিশ্রামের সময়ও ঘামতে পারে। মুখ, কপাল ও হাতের তালুতে এই ঘাম বেশি হয়। হাইপারহাইড্রোসিস কেন বিপজ্জনক? অতিরিক্ত ঘাম হলে থাকলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। 

সোডিয়ামেরও ঘাটতি হয়। এর ফলে ডিহাইড্রেশন, বমি এবং ডায়রিয়া থেকে ব্রেন স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। তাই অতিরিক্ত ঘামের সমস্যাকে অবহেলা করা উচিত নয়। ঘাম গ্রন্থিগুলোর অতিরিক্ত সক্রিয়তার কারণে হাইপারহাইড্রোসিস হয়। এর অনেক কারণ থাকতে পারে। ডায়াবেটিস, স্থূলতা, থাইরয়েড এবং কোনও ভাইরাল সংক্রমণের কারণে ঘটতে পারে। অতিরিক্ত ঘাম হলে বেশি রোদ, তাপ এড়িয়ে চলুন। দিনে ৫-৬ লিটার পানি পান করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ