শুক্রবার ২৪ মে ২০২৪
Online Edition

সব বিশ্বকাপে খেলা দেশের একমাত্র ক্রিকেটার সাকিব

স্পোর্টস রিপোর্টার: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য গতকাল ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান নিজের নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায়। বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব অনন্য এক মাইলফলকে নিজেকে জড়িয়ে নিলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরে খেলা একমাত্র ক্রিকেটার বাংলাদেশের এই সুপারস্টার। ক্রিকেট বিশ্বের খুব কম খেলোয়াড়ের এমন অর্জন আছে। ভারতের রোহিত শর্মা ও সাকিব এখন পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে বৈশ্বিক আসরে টিকে আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবির্ভাব সাকিবের। তিনি ও মুশফিক ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি দলে ছিলেন। মুশফিক ২০২২ এশিয়া কাপের পরপরই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ছেড়েছেন। ফলে দীর্ঘতম খেলোয়াড় বিবেচনায় সাকিবই এখন টিকে আছেন। গতবার সাকিব ছিলেন দলনেতা। এবার তাকে খেলতে হবে শান্তর নেতৃত্বে। বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের দলগত সাফল্য না থাকলেও সাকিবের ব্যক্তিগত অর্জন অনেক রেশি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩৬ ম্যাচে ২৩.৯৩ গড়ে ৭৪২ রান করেছেন। বোলিংয়ে ১৮.৬৩ গড়ে ৪৭ উইকেট পেয়েছেন। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে সাকিব ধরাছোঁয়ার বাইরে। বিশ্বকাপে ৫০০ এর বেশি রান ও কমপক্ষে ৩০ উইকেট পাওয়া দুজন ক্রিকেটারের মধ্েয একজন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। খেলা চালিয়ে যাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্েয হিসেব করলে তিনিই এই রেকর্ডে রাজত্ব করছেন। অবসরে যাওয়া পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি ৫৪৬ রান করেছেন। উইকেট পেয়েছেন ৩৯টি।

বিশ্বকাপে বোলিংয়ে সবার উপরে সাকিব। বাঁহাতি স্পিনারের ৪৭ উইকেটের পর ৩৯ উইকেট নিয়ে দুইয়ে আছেন শহীদ আফ্রিদি। এছাড়া ম্যাচ সংখ্যায় রোহিতের পরই সাকিবের অবস্থান। সাকিব ম্যাচ খেলেছেন ৩৬টি। দুইবার ফাইনাল খেলা রোহিত খেলেছেন ৩৯ ম্যাচ। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যাত্রা। নানা পথ পেরিয়ে নবম আসরের পর্দা ওঠার অপেক্ষা। আর প্রথম বিশ্বকাপে খেলা সাকিব এই আসরেও থাকছেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ