ঢাকা, শুক্রবার 24 May 2024, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ১৫ জিলক্বদ ১৪৪৫ হিজরী
Online Edition

তারুণ্যের দায়বদ্ধতা

নাজমুন নাহার নীলু

মানুষ যৌবনকালে অনেক অসাধ্যকে সাধন করতে পারে। ইতিহাসের পাতায় দেখা যায়, পৃথিবীর সভ্যতা নির্মানের কারিগর যারা সবাই তাদের যৌবনকে কাজে লাগিয়েছেন।যৌবন কালের কর্ম ক্ষমতা, ইবাদতে মনোনিবেশ করা, সৃষ্টিশীল কাজে জড়িত থাকা খুব তাৎপর্যপূর্ণ।ইংরেজিতে , ‘ Youth is called the golden season of life ‘যৌবনকে জীবনের সোনালী কাল বলা হয়’। এ সময় জীবন সাজিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে কার্যকর।  সেজন্যই আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, পাঁচটি বিষয়কে অন্য পাঁচটির আগে মূল্যবান ভেবে কাজ সেরে নাও।বার্ধক্য আসার আগে যৌবনকালকে, অসুস্থতার আগে সুস্থতার সময়কে, দারিদ্র্যে পড়ার আগে প্রাচুর্যকে, ব্যস্ততার আগে অবসরকে আর মৃত্যু আসার আগে তোমার জীবনকে। (হাকেম)

ইতিহাসের পাতায়:

রাসুল (সা.) এর অধিকাংশ সাহাবাগণ আপদে বিপদে বর্মের মতো তাঁকে আগলে রেখে পাশে ছিলেন, তাদের সবাই ছিলেন যার যার যৌবনের শীর্ষচূড়ায়।  উসামাহ বিন যায়েদকে আল্লাহর নবী কাফেলার আমীর বানিয়ে পাঠালেন অথচ তার বয়স মাত্র আঠার বছর।আবার  ইতাব ইবন উসায়েদকে নবী (সা.) মক্কার দায়িত্বশীল বানিয়ে রেখে যান তখন তার বয়স বিশের কিছু বেশি।

শুধু কি তাই? হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর দাওয়াতে প্রথম শতাধিক যুবকই ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আর তাঁদের বেশির ভাগ ছিল ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সের। ইমাম ইবনে কাসির (রা.) বলেন, ‘আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের আহ্বানে সাড়াদানকারীরা বেশির ভাগই ছিলেন যুবক।’ (তাফসিরে ইবনে কাসির)

বনি ইসরাইলের যুবকেরাই প্রথম মূসা আঃ এর ওপর ঈমান এনেছিলেন ।

ঈমান রক্ষার জন্য গোত্র ত্যাগকারী সেই আসহাবে কাহফকের ব্যক্তিগণ ছিলেন যুবক।ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি তোমাকে তাদের সংবাদ সঠিকভাবে বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই তারা কয়েকজন যুবক, যারা তাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছিল এবং আমি তাদের হিদায়াত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।’ (সুরা : কাহফ, আয়াত : ১৩)

সময় য়ৌবনের  গুরুত্বপূর্ণ ধাপ

মহান আল্লাহ পাক বলেন,"সময়ের কসম, মানুষ আসলে বড়‌ই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করতে থেকেছে এবং একজন অন্যজনকে হক কথা ও সবর করার উপদেশ দিতে থেকেছে।"(সূরা আসর)জীবনকে অনুভব করতে চাইলে সময়ের সঠিক শ্রম দিতে হবে। মানুষের জীবন সময়ের সমষ্টি দিয়ে তৈরি।সময় সব সময় একভাবে থাকে না।'তুমি যদি সময়কে সময়ে না কাটো,তাহলে সময় তোমাকে কেটে ফেলবে।' সময় আপন বেগে চলে যাবে। জীবনের খাতায় কিছুই জমা হবে না। পার্থিব জীবনে সময় মতো লেখা পড়া, চাকুরী,বিয়ে, সন্তান -সন্ততি ,ফসল রোপণ এসব‌ই যৌবনের পরিশ্রমের ফসল।তাই সঠিক সময়ে  না হলে জীবনের খাতা  ধূসর হয়ে যায়।,তেমনি সময় মতো হলে জীবন রঙিন হয়ে ওঠে।যেহেতু জীবন সময়ের কাছে বন্দী তাই যৌবনে সময়কে কাজে লাগিয়ে দুনিয়া ও পরকাল উভয়ের জন্য কাজ করার তাগিদ এসেছে কুরআন ও হাদীসে। 

যৌবনে সময়কে কাজে লাগাতে পারলে জীবন হয়ে ওঠে সার্থক। কেননা বার্থক্যে রোগ ব্যাধির ফলে অনেক কিছু চাইলে ও করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। 

যৌবনকাল মানব জীবনের সোনালী অধ্যায়

যৌবন মানে বন্ধু, আড্ডা, গান, আমোদ-ফূর্তি নয়।’ খাও দাও ফূর্তি কর’এই ধারণা নিয়ে বেহিসেবি জীবন কাটানো নয়।বরং যৌবন তার পৃথিবীতে আগমনের দায়িত্ব পালনের সঠিক সময়।তাই যে ব্যক্তি তার যৌবনকে আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করবে, কঠিন কিয়ামতের দিন সে মহান আল্লাহর আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবে। ,

রাসুল (সা.) বলেন, ‘যেদিন আল্লাহর রহমতের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না।সেদিন সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ  তাঁর নিজের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। ... ২. সে যুবক যার জীবন গড়ে উঠেছে তার প্রতিপালকের ইবাদতের মধ্যে। —.(বুখারি, হাদিস : ৬৬০)

যুগে যুগে সব পাপ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুবকেরা দাঁড়িয়েছে।  ইতিহাসে দেখা যায়,  যুবক   (আ.)। যিনি সর্বপ্রথম তাঁর গোত্রের মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের কেউ কেউ বলল, আমরা শুনেছি এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহিম।’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৬০) 

যৌবনের জ্ঞান, বিচারবুদ্ধি,শক্তি সামর্থ্য,সাহস, সবকিছু এতটা  থাকে যে,ন্যায় কাজ করার প্রবণতা যেমন থাকে, ঠিক তেমনি অন্যায় করার প্রবণতাও থাকে।তাই যৌবনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে সৃষ্টিশীল বিষয়ে মেধা,মনন কাজে লাগাতে পারে। ইবাদতে যৌবনকাল ব্যয় করলে পুরস্কার পাবে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর মুসা যখন যৌবনে পদার্পণ করল এবং পরিণত বয়স্ক হলো, তখন আমি তাকে বিচারবুদ্ধি ও জ্ঞান দান করলাম। আর এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।’ (সুরা : কাসাস, আয়াত : ১৪)

যৌবন কখনো কখনো মানুষকে পথভ্রষ্ট করে। যৌবনের তাড়নায় অনেক ধরনের পাপে লিপ্ত হয়ে যায়। এ কারণেই যুবকদের উদ্দেশে রাসুল (সা.) বলেন, হে যুবকদের দল! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে। এবং যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে না, সে যেন ‘সাওম’ পালন করে। কেননা সাওম যৌন ক্ষমতাকে দমন করে। (বুখারি, হাদিস : ৫০৬৫)

বর্তমান সময়ে তারুণ্যের যে উচ্ছাস লক্ষ্য করা যায় তা যৌবনের এক ধরনের বিকৃত রুচির পরিচয়।কেউ কেউ অধিক ফ্যাশনপ্রিয় হয়ে  চুল, পোশাক ও বেশভূষায় উগ্রতা প্রদর্শন করে।নারীদের মতো কানে দুল,সোনার আংটি, চেইন, ব্রেসলেট হাতে দিয়ে মাস্তি করে । অতি আধুনিকতার নামে পুরুষ নারীর পোশাক,নারী পুরুষের পোশাক পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আবার কেউ কেউ একটু আগ বাড়িয়ে ছেলে হয়েও নিজেকে মেয়ে ভাবতে শুরু করছে। এগুলো  লক্ষ্য উদ্দেশ্য বিহীন জীবন তরীতে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কিছুই না। রাসুল (সা.) এ ধরনের কাজ পছন্দ করতেন না। একবার রাসুল (সা.) হযরত খাব্বাবের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন, তার হাতে একটি সোনার আংটি। তিনি বললেন, এখনো কি এ আংটি খুলে ফেলার সময় হয়নি? খাব্বাব (রা.) বললেন, আজকের পর আর এটি আমার হাতে দেখতে পাবেন না। অতঃপর তিনি আংটিটি ফেলে দিলেন। (বুখারি, হাদিস : ৪৩৯১)

যৌবনকাল মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ামত। এ সময় মানুষের ইবাদতের শক্তি ও সুস্থতা দুটিই থাকে। এ সময় একজন মানুষ যতটা শুদ্ধতা ও দৃঢ়তার সহিত আমল করতে পারে, বৃদ্ধ হয়ে গেলে তা অনেক সময় সম্ভব হয় না।  মহামূল্যবান নিয়ামতের সোনালী অধ্যায় কোনোভাবেই অবহেলায় করা উচিত নয়। কারণ, কিয়ামতের দিন যৌবনকালের সময়ের হিসাব নেওয়া হবে।নবী (সা.) বলেছেন, কিয়ামত দিবসে পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার আগ পর্যন্ত আদম সন্তানের পদদ্বয় আল্লাহ তাআলার নিকট থেকে সরতে পারবে না। তার জীবনকাল সম্পর্কে, কিভাবে অতিবাহিত করেছে? তার যৌবনকাল সম্পর্কে, কী কাজে তা বিনাশ করেছে ; তার ধন-সম্পদ সম্পর্কে, কোথা হতে তা উপার্জন করেছে এবং তা কী কী খাতে খরচ করেছে এবং সে যতটুকু জ্ঞান অর্জন করেছিল সে মোতাবেক কী কী আমল করেছে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৬)

ইবাদতে মনোনিবেশ করে পাপ থেকে মুক্ত থাকার সময় যৌবনকাল । যৌবনকে পাপমুক্ত করে ইবাদতে মশগুল থাকা সত্যিকার ভাবে কঠিন কাজ! কেননা বর্তমান সময় পাপ কাজ করার লাইসেন্স দিয়ে দেওয়া হয়েছে!।সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি, জিনা-ব্যভিচারসহ সব গুনাহ প্রকাশ্যে করলেও তার কোন শাস্তি হচ্ছে না সম্প্রতিকালে শিক্ষাঙ্গনের ঘটনা,সমাজ জীবনে নানা অসঙ্গতি তার প্রমাণ।

যৌবনের সোনালী সময়কে কাজে লাগানো :

বুদ্ধিমান সে- যে তার যৌবনকে কাজে লাগায় এবং ভবিষ্যৎ জীবন তথা বার্ধক্যের জন্য পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করে। যদি কোনো বুদ্ধিমান যৌবনকে কাজে না লাগায়, তখন তার আফসোসের আর অন্ত থাকে না। তার আফসোস তাকে শেষ করে দেয়। কোনো কবি যৌবন সম্পর্কে বলেন,

‘যৌবন হল, একজন মেহমান যে আমাদের আঙ্গিনায় এসে কিছু সময় অবস্থান করল, তারপর সে গুনাহ দ্বারা আমলনামাকে কালো করল, অতঃপর পালিয়ে গেল’।

এমন মেহমান কারো কাম্য নয়।তাই গুনাহ যাতে না হয়ে যায় সেই দিকে সদা সতর্ক প্রহরীর মতো যৌবন কালকে  প্রস্তুত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।ফরয নামায,রোজা,যাকাত,হজ্জ,এসব ইবাদতসমূহ নিষ্ঠার সাথে আদায় করার পাশাপাশি সংযতদৃষ্টি, সহনশীল আচরণ,পথে, ঘাটে, গৃহে সকল ক্ষেত্রে মানবতার চর্চা তথা আল্লাহকে ভালোবেসে ভয় করে চলার মধ্যেই পাপ থেকে বিরত থাকা সম্ভব।

গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করা:

 যৌবনের অন্যায় থেকে বেঁচে থাকা,মানুষের উপকার করা, সত্যকে সত্য ও মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পারা একজন চরিত্রবান তারুণ্যের কাছে মোটেই কঠিন নয়।ছোট-বড় সব ধরনের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। এমনকি যেসব কাজ ব্যক্তিকে গুনাহের দিকে ধাবিত করে তা থেকে যথাসাধ্য বিরত থাকা। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীলতা ও বিপথগামিতা।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : ৩২)। অন্য আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘তোমরা প্রকাশ্য হোক বা গোপনে কোনো রকম অশ্লীল কাজের কাছেও যেও না।’ (সুরা আনয়াম )

সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে চিন্তা করা:

মানুষকে আল্লাহ কেন সৃষ্টি করেছেন? করনীয় কি? জীবনের উদ্দেশ্য কি? এসব নিয়ে চিন্তা করাও যৌবনের করনীয়র মধ্যে পড়ে। মহান আল্লাহ সূরা যারিয়াতের  ৫৬নং আয়াতে বলেন,”আমি  জীন ও মানুষকে আমার ইবাদত ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি।”আরবি ‘আবদ’থেকে ইবাদ শব্দটি এসেছে যার অর্থ দাসত্ব করা। মানুষ একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব বা গোলামী করবে এটাই তাওহীদের সারকথা।তাই যৌবনকালকে আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোর মধ্যে রয়েছে দুনিয়া ও আখেরাতের উভয় স্হানে কল্যাণ। 

সামাজিক দায়বদ্ধতা:

এই সময় সামাজিক দায়বদ্ধতা কম নয়।পরিবার ,আত্বীয়,প্রতিবেশী এদের প্রতি দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি হয়।যৌবন মানব জীবনের এক সোনালী মুহূর্ত।খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।তাই   মহান  আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশের তাগিদের পাশাপাশি পিতা মাতার সেবায় যত্নশীল হ‌ওয়ার তাগিদ করেছেন। বর্তমান সময়ে বৃদ্ধ মাতা পিতার প্রতি অবহেলা দেখা যাচ্ছে তা যৌবনের সামাজিক দায়িত্ববোধের অভাব থেকে। অথচ যৌবনকাল সব ধরনের ঝুঁকি নিতে প্রস্তত থাকবে‌। আল্লাহ বলেন,

“তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়েছেন তিনি ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত না করতে এবং মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে। তাদের একজন অথবা উভয়ে তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে উফ্ (বিরক্তিসূচক ও অবজ্ঞামূলক কথা) বলবে না এবং তাদেরকে ধমক দেবে না; তাদের সঙ্গে সম্মানের সঙ্গে কথা বলবে। মমতাবশে তাদের প্রতি নম্রতার ডানা প্রসারিত করো এবং বলো, হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া করো যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে প্রতিপালন করেছে।’ (সুরা-১৭ [৫০] ইসরা-বনি ইসরাইল, আয়াত: ২৩)।

এই আয়াতে সন্তানের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে তাদের করনীয় বলে দেওয়া হয়েছে। যৌবনের শক্তি দিয়ে বৃদ্ধ মাতা পিতার সেবা করা মোটেই কষ্ট সাধ্য নয়।তাই এসময় মাতা পিতাকে অবহেলা করা অনুচিত।

যৌবনকাল কোন পথে ব্যয় করা উচিত?এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন। কুরআন হাদীস চর্চার মধ্য ‌ দিয়েই সম্ভব যৌবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করা। ইসলামের পথে টিকে থাকতে পারলে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্হানে রয়েছে কল্যাণ।আল্লাহ  যৌবনকালকে আল্লাহর সান্নিধ্যে থাকার তৌফিক দান করুন। রমযান মাস হ‌উক তার সূচনা।#

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ