শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
Online Edition

পেয়ারা ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারেন? শীতকালে উপকারে লাগে?

এখন সাড়া বছররই পেয়ারা পাওয়া যায়। এটা সম্ভব হয়েছে বিদেশী জাতের চাষের ফলে। শীতকালে স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হয়। এ সময় স্বাভাবিকভাবেই পানি কম পান করা হয়। তাতে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব তৈরি করে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শরীর শুষ্ক থাকে। যার কারণে মানুষের পিপাসার মাত্রা কমে যায়। পানি না খাওয়া বা কম পান করার কারণে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়। তাই শীতকালেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার পরামর্শ দেয়া হয়। শীতকালে এমন অনেক ফল পাওয়া যায় যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, যা শরীরের পানির ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে একটি হল পেয়ারা। সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করে: শীতের দিনে সর্দি-কাশির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। পেয়ারা এবং এর পাতায় উপস্থিত ভিটামিন সি এবং আয়রন সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। তবে কাশি হলে পাকা পেয়রা খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া কাঁচা পেয়ারা খেলে শ্লেষ্মা কমে। তাই শীতকালে পেয়ারা অবশ্যই খাওয়া উচিত। কোষ্ঠকাঠিন্যে উপশম করে: দুর্বল জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ভোগেন। যদি এ সমস্যায় ভুগে থাকেন এবং এর থেকে মুক্তি পেতে চান, তাহলে প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খান। এছাড়া শীতকালে পেয়ারা খেলে হজম প্রক্রিয়া শক্তিশালী হয়। ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী রাখে: শীতের মরসুমে পেয়ারা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও শক্তিশালী থাকে, তাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে চান, তাহলে অবশ্যই পেয়ারা খান, পেয়ারা খাওয়া স্বাস্থ্যের উপর অনুকূল প্রভাব ফেলে। ডায়াবেটিসে উপকারী: ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পেয়ারার গুণের শেষ নেই।  পেয়ারা পাতা দিয়ে তৈরি চা পান করলে ব্লাড সুগার কমে যায়। এতে কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকায় রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে বাধা দেয়। পেয়ারা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। ওজন কমাতে কার্যকর: যারা ওজন কমাতে চান তাদেরও পেয়ারা খাওয়া উচিত। এতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম , তাই  খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে।  চিনির পরিমাণও খুব কম, যার কারণে স্থূলতা বাড়ে না। তথ্যসূত্র : ইটারনেট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ