শনিবার ২৬ নবেম্বর ২০২২
Online Edition

জাতীয় সংগ্রামের মহানায়ক হাবিলদার রজব আলী 

জিয়া হাবীব আহ্সান

এই দেশে ইংরেজ রাজত্ব শুরু হওয়ার একশ’ বছর পরে অর্থাৎ ১৮৫৭ সালে গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে শুরু হয়েছিল আযাদী সংগ্রাম। যে সংগ্রাম ইতিহাসে সিপাহী বিদ্রোহ নামে আখ্যায়িত হয়েছে। এই সংগ্রাম ভারতের তথা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সেনানিবাস থেকে প্রথম শুরু হয়। এর নেতৃত্ব দেন ১৪ নং বাঙ্গালী রেজিমেন্টের হাবিলদার রজব আলী। অত্যাচারী বেনিয়া ইংরেজদের কাছ থেকে দেশের আযাদী ছিনিয়ে নেয়ার জন্যে সেদিন বীরযোদ্ধা হাবিলদার রজব আলী দেশপ্রেমিক বাঙ্গালী সিপাহীদের নিয়ে চট্টগ্রাম কারাগার ভেঙে বন্দীদের উদ্ধার, ট্রেজারী ও অস্ত্রাগার দখল করে সোনাদানা ও অস্ত্রপাতি কব্জা এবং বীর বিক্রমে গোঁড়া সৈন্যদের সাথে যে লড়াই করেছিলেন, তা ছিল অকল্পিত ও রোমাঞ্চকর। আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জাতির কাছে আমাদের এই ইতিহাসের আযাদী সংগ্রামের মহান নায়কের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার মানসে লেখাটি প্রকাশ করছি। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের এমন এক মহান বীর সিপাহীকে নিয়ে আজ আলোচনা করব। সিপাহী বিদ্রোহ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রামে চট্টগ্রামের ভূমিকা সবসময় উদ্যমী ছিল। উপমহাদেশে স্বাধীনতার লড়াইয়ে মহান সিপাহী বিদ্রোহে চট্টগ্রামে হাবিলদার রজব আলীর অবদান আমরা ভুলতে বসেছি। ১৮৫৭ সালের এই দিনে ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রামে হাবিলদার রজব আলী ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। ভারতীয় উপমহাদেশে বৃটিশ-রাজ কায়েমের পর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সশস্ত্র বিদ্রোহ করেছেন এদেশের মুসলমানরা। এসব বিদ্রোহ সামাল দিতেই তটস্থ থাকতেন বেনিয়া বৃটিশরা।

১৭৬৩ সালের ফকির বিদ্রোহ, ১৭৬৭ সালে ত্রিপুরায় শমশের গাজীর বিদ্রোহ, ১৭৬৯ সালে সন্দ্বীপে কৃষক বিদ্রোহ, ১৭৮৩ সালে রংপুরের নুরুদ্দীনের বিদ্রোহ, ১৭৭৫ সালে করমশাহর বিদ্রোহ, ১৮১৯ সালে ফের সন্দ্বীপে কৃষক বিদ্রোহ, ১৮৩১ সালে তিতুমীরের বিদ্রোহ, ১৮৩৮ সালে ফরিদপুরে ফরাজীদের অভ্যুত্থান এবং ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়েছিল। এই ধারাবাহিক বিদ্রোহ এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী মহানায়কদের নাম হারিয়ে গেছে। এমনই একজন হারিয়ে যাওয়া বীর সেনানী স্বাধীনতা যোদ্ধার নাম হাবিলদার রজব আলী। বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যারা সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ করেছিলেন তাদের মধ্যে ১৮৫৭ সালে চট্টগ্রামে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়া হাবিলদার রজব আলী অন্যতম। হাবিলদার রজব আলীর বিদ্রোহের দিনটিকে স্মরণ করেই আমার দেশ-এ নেই কোন আয়োজন। স্বাধীনতা যুদ্ধ করতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া রজব আলী ও তার সতীর্থদের স্মরণ করে কবি মোহিনী চৌধুরী ১৯২০ সালে রচনা করেন তার বিখ্যাত কালজয়ী কবিতা-

“মুক্তির মন্দির সোপান তলে

কত প্রাণ হল বলিদান

লেখা আছে অশ্রু জলে”।

কবি মোহিনী চৌধুরীর মতো অনেক কবি ও সাহিত্যিক রজব আলীর মতো বীরদের নিয়ে রচনা করেছেন কালজয়ী গান, কবিতা, সাহিত্য। হাবিলদার রজব আলী খাঁ চট্টগ্রামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এক ব্যক্তি। তার জন্মপরিচয় এখনো অজ্ঞাত। কবে এবং কোথায় মারা গেছেন তাও সঠিক কেউ জানে না। ১৮৫৭ সালে ভারতবর্ষে সিপাহী বিদ্রোহে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব অবিস্মরণীয়। রজব আলী খান ছিলেন বৃটিশ ভারতের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন সৈনিক। কোনো কোনো গবেষকের ধারণা, হাবিলদার রজব আলী সন্দ্বীপের বাসিন্দা ছিলেন। আবার কারো মতে, তিনি দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়ার হাইদগাঁও, লোহাগাড়া ও দোহাজারী চট্টগ্রাম এর অধিবাসী ছিলেন। রজব আলী বিদ্রোহের আগে ৪ নম্বর কোম্পানীর হাবিলদার পদে উত্তীর্ণ হন। ইংরেজ সেনাবাহিনীর ৩৪ নম্বর নেটিভ বেঙ্গল পদাতিক বাহিনীর ১২০ জন হাবিলদার ছিলেন। রজব আলী ছিলেন তাদের একজন। ক্যাপ্টেন পিএইচকে ডিউলের অধীনে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডের সেনানিবাসে তার বসবাস ছিলো। যেখানেই রজব আলীর জন্ম হোক অথবা মৃত্যু হোক তিনি চট্টগ্রামের বিপ্লবী বীর হিসেবে সম্মানিত। ১৮৫৭ সালে ভারতবর্ষে সিপাহী বিদ্রোহে তার অগ্রণী ভূমিকা স্মরণীয়। ব্যারাকপুরের বিদ্রোহ যেভাবে ছড়ালো চট্টগ্রামে: ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা তার ঘনিষ্ঠ সহচরদের বিশ্বাসঘাতকতায় ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরাজিত হন। ফলে বাংলার শাসন ক্ষমতা দখল করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী। মূলত এর পরেই ভারতবর্ষ দখল করে নেয় কূচক্রী ইংরেজরা। স্বাধীনতা হারানোর একশ’ বছর পর সিপাহী বিদ্রোহের প্রবল ঝাঁকুনিতে কেঁপে ওঠে বৃটিশ রাজদ-। ১৮৫৭ সালে প্রথমে পশ্চিম বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে ও পরবর্তীতে ব্যারাকপুরে দেশীয় সিপাহীরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। বিদ্রোহের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে কানপুর, লক্ষেèৗ ও মীরাট হয়ে সমগ্র উত্তর ও মধ্যপ্রদেশে। ‘দি পলিটিক্যাল হিস্টরি অব মুসলিম বেঙ্গল: অ্যান আন ফিনিষ্টড ব্যাটল অব ফেইথ’ বইয়ে লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে সিপাহী বিপ্লবের প্রথম গুলিটি ছোড়া হয়। মঙ্গল পা-ে নামের একজন ভারতীয় সিপাহী তার বৃটিশ সামরিক কর্তাকে লক্ষ্য করে ট্রিগারে চাপ দিয়েছিলেন।

মঙ্গল পা-ের সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও বিপ্লব কিন্তু ঐ একটি গুলিতেই শুরু হয়ে গেল। হিন্দু এবং মুসলমান সিপাহীরা এক হয়ে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের দখল থেকে দেশের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের মহান ব্রতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। “১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের প্যারেড ময়দানে হাবিলদার রজব আলী পূর্ববঙ্গে বিপ্লবের সূচনা করেন। দেশপ্রেমে সমুজ্জ্বল একদল সিপাহী রজব আলীর নেতৃত্বে বন্দর নগরীর অস্ত্রাগার এবং কোষাগার দখল করেন। তারা ফেনী নদী অতিক্রম করে সীতাকু- হয়ে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। নোয়াখালী এবং কুমিল্লায় অবস্থানরত কোম্পানির শক্তিশালী বাহিনীকে এড়িয়ে দ্রুত ঢাকায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে রজব আলী ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্যদিয়ে জটিল পাহাড়ি পথ বেয়ে ক্ষুদ্র বাহিনী নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে থাকেন।” কলকাতার ব্যারাকপুরে ও বহরমপুরের বিদ্রোহ ছিলো বিচ্ছিন্ন। কিন্তু, চট্টগ্রামে সংঘবদ্ধ অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন রজব আলী। ১৮৫৭ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে বিদ্রোহীরা গুলি ছুঁড়ে বিদ্রোহের জানান দেন। তারা প্রথমেই জেলের তালা ভেঙে আটক স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মুক্ত করে। বিদ্রোহের ডামাডোলে চট্টগ্রামে থাকা ব্রিটিশরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে সমুদ্রে জাহাজে আশ্রয় নেন।

জানা যায়, রজব আলীর নেতৃত্বে বিদ্রোহে চট্টগ্রাম প্রায় ত্রিশ ঘন্টা ব্রিটিশ শাসনমুক্ত ছিল। এই বিদ্রোহের সময় গুলি বিনিময়কালে একাধিক বিপ্লবী সৈনিকের মৃত্যু হয়। যাদের কবর দেয়া হয় আন্দরকিল্লা জামে মসজিদের আঙ্গিনায়। ১৯ নভেম্বর রাতে সিপাহীরা পিলখানা থেকে হাতি নিয়ে সদলবলে চট্টগ্রাম ত্যাগ করেন। বিদ্রোহীরা উত্তর দিকে চলে যান। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ঢাকায় অবস্থানরত ৭৩ নম্বর দেশীয় পদাতিক বাহিনীর সাথে যোগ দেয়া। কিন্তু তার আগেই ঢাকায় অবস্থানরত সিপাহীদের অস্ত্র কেড়ে নেয়া হয়। বহু সিপাহীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। এদিকে চট্টগ্রামের সিপাহীরা স্থানে স্থানে বাধার সম্মুখীন হলে ত্রিপুরা হয়ে মনিপুরের জঙ্গলে চলে যান। বিদ্রোহীরা স্থির করেছিলেন যে, তারা ইংরেজের রাজত্ব ছেড়ে স্বাধীন ত্রিপুরার নিরাপদ অঞ্চলে গিয়ে আশ্রয় নেবেন। বিদ্রোহী সিপাহীদের পরিচালনার ভার এসে পড়ল হাবিলদার রজব আলী খাঁর উপরে। বেঙ্গল রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন পিএইচ কে ডেওলের রিপোর্টে স্থানীয় সূত্রের বরাতে বলা হয় রজব আলী বিদ্রোহী বাহিনীকে নিয়ে ফেনী নদী পার হয়ে ত্রিপুরা সীমানার দিকে যাত্রা করেছেন। 

বিদ্রোহীরা সীতাকুন্ড হয়ে ২রা ডিসেম্বর তারিখে ‘স্বাধীন’ ত্রিপুরার প্রবেশদ্বারে গিয়ে দেখেন বহু সৈন্য সেখানে তাদের প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুত। ফলে পিছু হটেন তারা। রাস্তা পরিবর্তন করে কুমিল্লার পাহাড়ি এলাকার দিকে অগ্রসর হন সবাই। এ সময় ত্রিপুরার সেনাবাহিনীর ধাওয়ায় বিদ্রোহীরা দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে মণিপুর রাজ্যের কাছাকাছি সিলেট পৌছে যান। সীমান্তবর্তী এলাকায় সিলেট লাইট ইনফ্যান্ট্রির মেজর বাইং সেখানে বিদ্রোহীদের উপর হামলা করে। তীব্র যুদ্ধে মেজর বাইং নিহত হন এবং তার অধীন ইংরেজ বাহিনী পরাজিত হয়। পর পর কয়েকটা যুদ্ধে রজব আলীর পক্ষের অনেক লোক মারা যান। যারা বেঁচে ছিলেন আক্রমণের তীব্রতায় শেষ পর্যন্ত তাদের পার্বত্য অঞ্চলে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। হাবিলদার রজব আলী শেষবারের মতো যুদ্ধে অবতীর্ণ হন করিমগঞ্জের মালগ্রামে। বিদ্রোহী বাহিনী পার্বত্য এলাকা জেলা কাছাড়, হাইলাকান্দি ইত্যাদি পাড়ি দিয়ে মোহনপুর চা বাগানের নিকটবর্তী সাবাশপুরে অবস্থান নেন। কিন্তু স্থানীয় জমিদারের চরদের মাধ্যমে ইংরেজ বাহিনী সে খবর পেয়ে যান এবং লেফটেন্যান্ট রসের নেতৃত্বে অতর্কিতে হামলা করা হয়। হাবিলদার রজব আলী তার অল্প সংখ্যক সৈন্য নিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত হন। যুদ্ধে তার ৭০ জন সিপাহী মারা যান। আহত হয়ে এবং ক্ষুধার যন্ত্রণায় মারা যান আরো কিছু সিপাহী। হাবিলদার রজব আলীসহ তিন বা চারজন সিপাহী শেষ পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। ইংরেজ বাহিনীর অব্যাহত অনুসরণের মুখে তারা গহীন পাহাড়ী জঙ্গলে হারিয়ে যান। ইংরেজ বাহিনীর ফাইনাল রিপোর্টে বলা হয়, তাদেরকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

লোকচক্ষুর অন্তরালেই একসময় হাবিলদার রজব আলীর জীবনের সমাপ্তি ঘটে। “বাংলার এই অসীম সাহসী, দেশপ্রেমিক সন্তানদের পরিণতি কি হয়েছিলো সেটি সঠিকভাবে জানার চেষ্টাও হয়নি। হয়তো তারা ব্রিটিশ বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন, কিংবা অতি দুর্গম জঙ্গলময় পাহাড়ি এলাকায় অনাহারে প্রাণ দিয়েছেন। অথবা বন্য জন্তুর শিকারে পরিণত হয়েছেন। এই বীরদের যথোপযুক্ত সম্মান জানিয়ে প্রতিষ্ঠিত করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য। হাবিলদার রজব আলীদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের রক্ত মাড়িয়েই ইংরেজদের নিকট থেকে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর প্রায় অর্ধশতাব্দি অতিক্রান্ত হলেও রজব আলীর মত অসীম সাহসী বীরদের এখনো আমরা প্রাপ্ত সম্মান দিতে পারি নাই। জাতি হিসাবে এ আমাদের নিদারুণ ব্যর্থতা। প্রতি বছর ১৮ই নভেম্বর চট্টগ্রামের প্যারেড মাঠে কুচকাওয়াচের মাধ্যমে হাবিলদার রজব আলী দিবস পালন করা সম্ভব। আমাদের জাতিসত্তার মহান নায়করা বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে গেলে স্বাধীন স্বকীয় জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে, আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন আমাদের হেফাজত করুক আমিন।

 

তথ্যসুত্র : হাবিলদার রজব আলী —— এ.কে এম মহিউদ্দিন (ইফাবা বাংলাদেশ) হাবিলদার রজব আলী ও অধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম- মুনশী আবদুল মান্নান, বৃটিশ বিরুদ্ধে সেদিন চট্টগ্রাম সেনা নিবাসে দাবানল জ্বেলেছিলেন হাবিলদার রজব আলী খাঁ - মুহাম্মদ মাহমুদুর রহমান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ