বুধবার ৩০ নবেম্বর ২০২২
Online Edition

ইন্দুরকানীতে একটি সেতুর অভাবে দুই উপজেলাবাসীর ভোগান্তি অশেষ

 

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা: পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে একটি সেতুর অভাবে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতশত শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। এলাকাবাসী ও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ইন্দুরকানী উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সীমানা নির্ধারণ বলেশ^র খালের ওপর বাঁশ ও সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার হতে হচ্ছে। সাম্প্রতি সেটি ভেঙে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ইন্দুরকানী উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইন্দুরকানী নাগরিক ফোরামের সভাপতি মাসুদ সাঈদী জানতে পেরে সেতুটি পুনঃসংস্কারের জন্য দশ হাজার টাকা অনুদান দেন। 

উপজেলার উত্তর-পশ্চিম কলারণ আজাহার আলী দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা আব্দুস সালাম জানান, ‘বলেশ্বর খালের এই সাঁকোটি ট্রলারের ধাক্কা ও জোয়ারের পানির চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি পার হয়ে ক্লাসে যাতায়াতে ভীষণ কষ্ট হয়। সাঁকোটি মেরামতের জন্য কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা প্রয়োজন ছিল। খবরটি জানতে পেরে ইন্দুরকানী নাগরিক ফোরামের সম্মানিত সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী সাঁকোটি মেরামতের জন্য দশ হাজার টাকা দিয়েছেন।’

ইন্দুরকানী উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সীমানা নির্ধারণ করেছে এই বলেশ্বর খাল। খালের পূর্বপাশে পশ্চিম বালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজাহার আলী দাখিল মাদরাসা ও উত্তর কলারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। পশ্চিমে দক্ষিণ পাঠামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদনীভাঙ্গা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দারুল কুরআন আলিম মাদরাসা রয়েছে। প্রতিদিন খালের দুই পাড়ের ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতশত শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে। অনেক সময় পা ফসকে খালে পড়ে যায় শিক্ষার্থীরা।

জোয়ারে কচুরিপানা আটকে এবং খালে চলাচলকারী ট্রলারের ধাক্কায় প্রায়ই সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এমনকি ভেঙেও যায়। তখন অভিভাবকরা তাদের ছেলেমেয়েদের পারাপারের জন্য চাঁদা তুলে এই সাঁকো সংস্কার করে। এলাকাবাসীর দাবি, এখানে একটি আয়রন ব্রিজ বা বেইল ব্রিজ নির্মাণ করা হোক। এতে দুই উপজেলাবাসী সীমাহীন ভোগান্তি থেকে বাঁচবে।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ