শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর ২০২২
Online Edition

রপ্তানি বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি

এম এ খালেক

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে (২০২১-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মিশ্র অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ও ইতিবাচকভাবে বেড়েছে। কিন্তু রপ্তানি আয় যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে আমদানি ব্যয় তার চেয়ে আনুপাতিক হারে অনেক বেশি বেড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বাংলাদেশের প্রতিকূলেই থেকেছে। বাংলাদেশ বরাবরই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বাংলাদেশের অনুকূলে আসেনি। তবে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ আগের যে কোনো বছরের চেয়ে বেড়েছে। এটা অপ্রত্যাশিত কোনো ঘটনা নয়। কারণ বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন তা আমরা গ্রহণ করতে পারিনি। আন্তর্জাতিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়, বিশেষ করে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই মূল্যস্ফীতি অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির ধারায় রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মূল্যস্ফীতির বিদ্যমান হার গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। পণ্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোক্তাগণ তাদের ভোগ ব্যয় যতটা সম্ভব কমিয়ে দিয়েছে। ফলে প্রতিটি দেশই আমদানি ব্যয় এবং প্রবণতা কমিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের মতো উদীয়মান রপ্তানিকারক দেশগুলো বিপাকে পতিত হয়েছে। এদের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে রপ্তানি আয় বাড়াতে পারছে না। ফলে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি আরো ব্যাপক আকার ধারণ করছে। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হবার পর থেকেই বাংলাদেশ নানাভাবে চেষ্টা করছে আমদানি ব্যয় কমিয়ে আনার জন্য। আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় ১২টি পণ্যের পরিবর্তে ২৬টি পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১২৩টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন রাখার বিধান করা হয়েছে। এসব কার্যকর পদক্ষেপের কারণে দেশের আমদানি ব্যয় কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে এলসি খোলার হার ৩৩ শতাংশ কমেছে। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো তাহলো, পণ্য আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি না পেলেও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিটি পণ্যের মূল্যই বেড়েছে। আগে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করতে ১০০ মার্কিন ডলার প্রয়োজন হতো এখন ঠিক সেই একই পরিমাণ পণ্য আমদানি করতে হয়তো ১২৫ মার্কিন ডলার প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাবার একটি ইতিবাচক দিকও আছে। আগের একই পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করে তুলনামূলকভাবে বেশি অর্থ আয় করা যাচ্ছে। হয়তো আগে যে পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করে ১০০ মার্কিন ডলার আয় হতো। এখন সেই একই পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করে হয়তো ১২৫ মার্কিন ডলার আয় করা যাচ্ছে। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া স্থানীয় বাজারে মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের ক্ষেত্রে এক ধরনের অস্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় মুদ্রা টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়ন ঘটছে। মূলত মার্কিন ডলারের প্রবাহ হ্রাস পাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা থেকে গৃহীত ঋণের কিস্তি পরিশোধ ও অন্যান্য কারণে মার্কিন ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাবার কারণেই অভ্যন্তরীণ বাজারে স্থানীয় মুদ্রার মূল্যমান দ্রুত কমে যাচ্ছে। মুদ্রার বিনিময় হার যদি বাজারভিত্তিক করা হয় তাহলে টাকার মান আরো কমে যাবে। স্থানীয় মুদ্রার মূল্যমান হ্রাস অথবা মার্কিন ডলারের তেজিভাব সব সময়ই বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। যারা আমদানিকারক তারা সাধারণত স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন কামনা করেন না। কারণ স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটলে তাদের একই পরিমাণ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রায় বেশি ব্যয় করতে হয়। যেমন আগে যে পণ্যটি ১০০ মার্কিন ডলার দিয়ে আমদানি করতে হয়তো ৯০ হাজার টাকা প্রয়োজন হতো। এখন সেই পণ্য আমদানিকালে তাকে স্থানীয় মুদ্রায় হয়তো এক লাখ টাকা ব্যয় করতে হবে। অর্থাৎ তাকে দশ হাজার টাকা বেশি ব্যয় করতে হবে একই পরিমাণ পণ্য আমদানির জন্য। এতে অভ্যন্তরীণ বাজারে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ঘটবে এবং চাহিদা আগের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যাবে। কাজেই আমদানিকারকগণ সাধারণত কোনোভাবেই স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন প্রত্যাশা করেন না। আবার রপ্তানিকারক এবং রেমিটেন্স যোদ্ধারা সব সাধারণত স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন প্রত্যাশা করে বেশ জোরেসোরেই। কারণ তারা যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে তা আগে দেশে প্রেরণ করলে যে পরিমাণ স্থানীয় মুদ্রা পাওয়া যেতো এখন সেই একই পরিমাণ অর্থ প্রেরণ করে আগের চেয়ে বেশি অর্থ পাবেন স্থানীয় মুদ্রায়। রপ্তানিকারক আগে যদি ১০০ মার্কিন ডলার আয় করতো তাহলে তারা সেই অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় মুদ্রায় হয়তো ৯০ হাজার টাকা পেতো। স্থানীয় মুদ্রার ১০ টাকা অবমূল্যায়ন হবার কারণে তারা এখন পাবেন এক লাখ টাকা। অথচ এ জন্য তাদের কোনো বাড়তি ব্যয় করতে হবে না। কাজেই পণ্য রপ্তানিকারক এবং জনশক্তি খাতের যোদ্ধারা সাধারণত স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন কামনা করেন। 

এই অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি কোনো কৃত্রিম উপায়ে স্থানীয় মুদ্রার বিনিময় হার একই স্থানে ধরে রাখতে চান তাহলে রপ্তানিকারকগণ এবং রেমিটেন্স প্রেরণকারীরা অবৈধ পথে অর্থ প্রেরণে উৎসাহিত হবেন। কারণ তারা বৈধ চ্যানেলে অর্থ দেশে নিয়ে এলে স্থানীয় মুদ্রায় যে টাকা পাবেন হুন্ডির মাধ্যমে টাকা দেশে আনলে তার চেয়ে অনেক বেশি অর্থ পাবেন স্থানীয় মুদ্রায়। কথায় বলে, ক্ষুধার্ত মানুষের নিকট নৈতিকতার কোনো মূল্য নেই। তেমনি অতিরিক্ত অর্থের হাতছানি সাধারণত কেউই উপেক্ষা করতে পারেন না। বর্তমানে দেশের মুদ্রা বাজারে যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে তা কোনোভাবেই কৃত্রিম উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। এজন্য মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের উপর ছেড়ে দিতে হবে। অর্থমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন, মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের উপর ছেড়ে দেয়া হবে। তাহলে একদিন কৃত্রিমভাবে মুদ্রার বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলো কেনো? মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের উপর ছেড়ে দিলে স্থানীয় মুদ্রা টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়ন ঘটবে। এতে আমদানিকারকগণ খুশি হতে পারবেন না। কিন্তু রপ্তানিকারক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অত্যন্ত প্রীত হবেন। কারণ তারা আগের সমপরিমাণ অর্থ দেশে প্রেরণ করে স্থানীয় মুদ্রায় আগের চেয়ে বেশি অর্থ পাবেন। 

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বর্তমানে কমতির দিকে রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিছু বেশি। কিন্তু এর পুরোটা ব্যবহারযোগ্য নয়। কারণ এই রিজার্ভ থেকে রপ্তানি উন্নয়ন ফান্ডসহ বিভিন্ন প্রকল্পে ঋণ দেয়া আছে। ফলে ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কম। এই পরিমাণ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে ৪ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যেতে পারে। কোনো দেশের ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকলেই তাকে স্বস্তিদায়ক বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ যেভাবে কমছে তাতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তা তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মত সক্ষমতায় থাকবে না। তাই বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দিকে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে। মার্কিন ডলারের প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য মুদ্রার বিনিময় হারকে দ্রুত বাজারভিত্তিক করতে হবে। মুদ্রার বিনিময় হার বাজারভিত্তিক হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ বৈধ চ্যানেলে দেশে প্রেরণ করবেন। গত এক বছরে হুন্ডি ব্যবসায়ের কারণে গত এক বছরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপার্জিত ৭ দশমিক ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য ৭৫ হাজার কোটি টাকা দেশে আসেনি। এর মধ্যে গত চার মাসে মোট ২৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ রেমিটেন্স দেশে আসেনি। এই পরিমাণ অর্থ বৈধ পথে দেশে এলে রিজার্ভের পরিমাণ কতটা বৃদ্ধি পেতো তা সহজেই অনুমেয়। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান দু’টি খাত পণ্য ও জনশক্তি রপ্তানি কার্যক্রম নানা জটিলতার কারণে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হতে পারছে না। বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় সীমিত সংখ্যক দেশ ও মুষ্টিমেয় কিছু পণ্যের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। বাংলাদেশ থেকে অন্তত ২০০ টি পণ্য রপ্তানি করা হয়। এর মধ্যে শীর্ষ ৫টি পণ্য হতে আয় হয় মোট রপ্তানির প্রায় ৯৪ শতাংশ। এর মধ্যে একমাত্র তৈরি পোশাক খাত থেকেই অর্জিত হয় ৮৬ শতাংশ আয়। তৈরি পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ বিদেশি কাঁচামাল ও ক্যাপিটাল মেশিনারিজ নির্ভর একটি খাত। এই খাতে যে আয় হয় তার অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কাঁচামাল আমদানির জন্য পুনরায় বিদেশে চলে যায়। ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এই খাতের মূল্য সংযোজনের হার ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ। গত অর্থবছরে প্রথমবারের মতো আরো ৪টি পণ্যের রপ্তানি আয় শত কোটি মার্কিন ডলারের ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করেছে। এই পণ্যগুলো স্থানীয় কাঁচামাল নির্ভর। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের আরো একটি দুর্বলতম দিক হচ্ছে আমরা যেসব দেশে অধিক পরিমাণে পণ্য রপ্তানি করে সেই সব দেশ থেকে আমদানি করি সীমিত সংখ্যক পণ্য। আবার যেসব দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করি সেসব দেশে আমাদের রপ্তানির পরিমাণ খুবই কম। পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আরো একটি বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। আমরা কি বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে বিদেশে ডিম্যান্ড ক্রিয়েট করার চেষ্টা করবো, নাকি ক্রিয়েটেড ডিম্যান্ড পূরণ করার চেষ্টা করবো? আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের ডিম্যান্ড ক্রিয়েট করার চেয়ে ক্রিয়েটেড ডিম্যান্ড পূরণের চেষ্টা করা অধিকতর সহজ।    

একই কথা প্রযোজ্য জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে। বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি কার্যক্রম মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি মুসলিম দেশকেন্দ্রিক। অথচ এমন অনেক দেশ আছে যেখানে জনশক্তি রপ্তানির প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যারা কর্মসংস্থান উপলক্ষে বিদেশে গমন করেন তাদের বেশির ভাগই অদক্ষ এবং অপ্রশিক্ষিত শ্রমিক। অথচ একজন পেশাজীবী বিদেশে গিয়ে একশত জন সাধারণ শ্রমিকের চেয়ে বেশি উপার্জন করতে পারে। কাজেই আমাদের অদক্ষ জনশক্তি রপ্তানির পরিবর্তে দক্ষ এবং পেশাজীবী বিদেশে রপ্তানি করার উদ্যোগ নিতে হবে।

আগামীতে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমাদেরকে বৈদেশিক মুদ্রার সম্ভাব্য সঙ্কট মোকাবেলা করতে হবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে পণ্য রপ্তানি এবং জনশক্তি রপ্তানি খাত। এই দু’টি খাতের সঠিক ব্যবহারই পারে বৈদেশিক মুদ্রা সঙ্কট অতিক্রম করতে। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি আয় করেছে পণ্য রপ্তানি করে। আর ৭ দশমিক ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী আয় বৈধ পথে দেশে আসেনি। পণ্য এবং জনশক্তি উভয় খাতের রপ্তানি আয় বাড়ানোর সুযোগ আছে। আমাদের পরিকল্পিতভাবে সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ