বুধবার ৩০ নবেম্বর ২০২২
Online Edition

কম্বোডিয়াকে হারিয়ে জয় পেল বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার: ফিফা প্রীতি ম্যাচে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা কম্বোডিয়াকে হারিয়ে ৭ ম্যাচ আর ১০ মাস পর জয়ের স্বাদ পেল জামাল ভূঁইয়ারা। গতকাল বৃহস্পতিবার কম্বোডিয়ার নমপেনের মরোদোক টেকো জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিকদের ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ দল। বিজয়ী দলের আক্রমণভাগের ফুটবলার রাকিব হোসেন উপহার দিয়েছেন গোলটি। 

স্প্যানিশ কোচ হ্যাবিয়ের ক্যাবরেরা দলটি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সাত ম্যাচ আর ১০ মাস পর জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের নবেম্বরে তারা শ্রীলঙ্কার প্রাইম মিনিস্টার মাহিন্দা রাজাপাকসা ট্রফিতে মালদ্বীপের বিপক্ষে জিতেছিল ২-১ গোলে। এরপর সাত ম্যাচের পাঁচটিতেই তারা হেরেছিল, ড্র হয়েছিল বাকি দুটি।

নমপেনের মরোদোক টেকো জাতীয় স্টেডিয়ামে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরাই। যাদের অবস্থান ১৭৪তম। বাংলাদেশ আছে ১৯২তম স্থানে। এই ম্যাচে জেতায় এখন র‌্যাংকিং কিছুটা হলেও বাড়বে লাল-সবুজদের। অবশ্য মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসেব করলে বাংলাদেশ তাদের কাছে কখনও হারেনি। আগের ৪ ম্যাচের তিনটিতেই জয় ছিল। ড্র ছিল একটি। ফলে তাদের বিপক্ষে অজেয় রাখার রেকর্ড অক্ষুন্ন থাকলো। পাশাপাশি হ্যাভিয়ের কাবরেরার অধীনে এই প্রথম বাংলাদেশ জয়ের মুখ দেখলো।

ম্যাচের শুরু থেকে বাংলাদেশ সাবধানি ফুটবল খেলতে থাকে। ৪-১-৪-১ ছকে নিজেদের রক্ষণ সামলে আক্রমণে উঠার চেষ্টা করেছে। তাতে ১৪ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েও বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারেনি। বিশ্বনাথ ঘোষের লম্বা থ্রো-ইন থেকে জামাল ভূঁইয়ার প্লেসিং লক্ষ্যে থাকেনি। অল্পের জন্য বাইরে দিয়ে গেছে।

বিপরীতে স্বাগতিক কম্বোডিয়া রানিং ও স্কিলে কিছুটা এগিয়ে থেকেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ১৯ মিনিটে সুযোগ পায় যদিও। কিন্তু বক্সের প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে সিন কাকাডার ডান পায়ের বুলেট গতির শট গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো এক হাত দিয়ে কোনও মতে ফিস্ট করে দলকে রক্ষা করেছেন।

শেষ পর্যন্ত ২৩ মিনিটে বাংলাদেশ দলকে উৎসবে ভাসান রাকিব। মধ্যমাঠ থেকে ক্ষিপ্র গতিতে ৩৫ গজ দূরত্ব অতিক্রম করে মতিন মিয়া দারুণ পাস দেন, রাকিব হোসেন বক্সে ঢুকে দেখেশুনে ডান পায়ের জোরালো শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন। লক্ষ্যভেদ করেই সিআর সেভেনের মতো উদযাপন করেছেন তিনি।

বিরতির পরও খারাপ খেলেনি বাংলাদেশ। একাদশে এনেছে কয়েকটি পরিবর্তন। রিমন হোসেন-সাজ্জাদ হোসেনরা মাঠে নেমেছেন। অভিষেক হয় মিডফিল্ডার সোহেল রানারও। এই অর্ধেও রক্ষণ জমাট রেখে খেলেছে বাংলাদেশ। সুযোগ বুঝে আক্রমণেও গেছে। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মতিন মিয়ার ডান পায়ের জোরালো শট ক্রস বারে লেগে ফিরে আসলে ব্যবধান আর বাড়েনি। কম্বোডিয়া কয়েকবার জিকোর পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। রাকিবের গোলটিই পরে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ