রবিবার ২৬ জুন ২০২২
Online Edition

আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল: ফখরুল

ফাইল ফটো

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাবিতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় আবারও প্রমাণ হলো আওয়ামী লীগ পুরোপুরি একটি সন্ত্রাসী দল। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু আজকের (২৪ মে) শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলায় তাদের ফ্যাসিস্ট রূপ আবারও উন্মোচন হলো।

মঙ্গলবার (২৪মে) বিকেলে রাজধানীর ইস্কাটনে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে আহত ছাত্রদল নেতাদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।  

মির্জা ফখরুল বলেন, অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের জনগণের সবচেয়ে প্রিয় আপোসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার জীবনের ওপরে যে হুমকি দিয়েছেন তার প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নিয়মতান্ত্রিকভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ মিছিল ঘোষণা করেছিল। তাদের সেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ভয়াবহ আক্রমণে ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ছাত্রদলের অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে আহত ১২ জনকে এখানে দেখেছি। আমরা আরও হাসপাতালে যাব, যেখানে আহত ছাত্রদল নেতারা চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন। আজকে এ ঘটনার মধ্যে দিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ফ্যাসিস্ট চেহারা স্বরূপে উদঘাটন হয়েছে। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু কার্যত একটি পুরোপুরি সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল। আজকের ঘটনায় সেটা আরও পরিষ্কার হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, যখন এই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার হরণ, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জেগে উঠছে; ছাত্ররা যখন এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন, তখন এই সরকার আক্রমণের আরেকটি উদাহরণ সৃষ্টি করল। আসলে আওয়ামী লীগ হলো সম্পূর্ণভাবে একটি সন্ত্রাসী দল। এরা যতক্ষণ জোর করে ক্ষতায় থাকবে বাংলাদেশে কোনো রকমেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না। সেজন্যে আমরা বার বার বলেছি এ সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাহলে এই সমস্যাগুলোর সমাধান হবে।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। একই সঙ্গে আমরা মনে করি এই হত্যার হুমকি আসলে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জীবনের প্রতি হুমকি, গণতন্ত্রের প্রতি হুমকি। এর নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। ছাত্রদলের নেতাদেরকে যারা আহত করেছেন অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রফেসর ফরহাদ হালিম ডোনার, ডাকসুর সাবেক এজিএস ও বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, কামরুজ্জামান রতন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আজিজুল বারী হেলাল, শামীমুর রহমান শামীম, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু প্রমুখ।  

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ