মঙ্গলবার ২৯ নবেম্বর ২০২২
Online Edition

সীতাকুণ্ডে বন্ধ করা হলো শতবর্ষী পুকুরের ভরাট কাজ

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : সীতাকুণ্ডের বারআউলিয়া এলাকায় পুলিশী হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে শতবর্ষী পুকুর ভরাট কাজ।  সোমবার বিকেলে এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুকুর ভরাট কাজ বন্ধ করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বারআউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইব্রাহিম।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, স্থাপনা নির্মাণের জন্য শতবর্ষীয় পুকুরের মাঝখানে বাঁশের ঘেরাও দিয়ে চলছে মাটি ভরাটের কাজ। স্থানীয় এলাকাবাসীর পাশাপাশি পুকুরটি ব্যবহার করেন মসজিদের শত শত মুসল্লি। তবে মাটি ভরাটের কারণে বর্তমানে কাঁদা-মাটিতে একাকার হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে পুকুরটি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নামাজ পড়তে মসজিদে আসা শত শত মুসল্লির পাশাপাশি স্থানীয় হাজারো এলাকাবাসীরা।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকার মহাসড়ক সংলগ্ন শতবর্ষী বওনা পুকুরটি (মসজিদ পুকুর) স্থাপনা নির্মাণে ভরাট শুরু করেন মোরশেদ নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। জনগুরুত্বপূর্ণ এ পুকুর ভরাটে এলাকাবাসী ও স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়। কিন্তু তাতে গুরুত্ব না দিয়ে মোরশেদ স্থাপনা নির্মাণে অব্যাহত রাখেন পুকুর ভরাট কাজ। শতবর্ষীয় পুকুর ভরাট বন্ধে এলাকাবাসী স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে একাধিকবার অভিযোগ দিলেও তাতে কোনো সুফল মেলেনি।
পরবর্তীতে গতকাল বিকেলে পুকুর ভরাট বন্ধে বারআউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে বারআউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইব্রাহিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর ভরাট কাজ বন্ধ করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোর্শেদ বলেন, আমি পুরো পুকুর ভরাট করছি না। তবে স্ক্র্যাপ মালামাল রাখার সুবিধার্থে ডিপো নির্মাণে পুকুরের পাশের কিছু অংশ ভরাট করছি। পুলিশ এসে বাধা দেওয়ার পর ভরাট কাজ বন্ধ রেখেছি।
বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইব্রাহিম বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুরের ভরাট কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। পুকুর ভরাটে জড়িতদের থানায় যোগাযোগও করতে বলা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ