ঢাকা, শুক্রবার 21 January 2022, ৭ মাঘ ১৪২৮, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী
Online Edition

ছাত্রজীবন: দায়িত্ব ও কর্তব্য

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: একটা মানুষ তার দায়িত্ব সম্পর্কে যখন সচেতন হয়ে ওঠে তখন তার কর্তব্য বা করণীয় নির্ধারণে সে সাধারণত ভুল করে না বা কর্তব্য নির্ধারণ তার জন্য অনেক সহজ হয়ে ওঠে।

ছাত্রজীবনে একজন ছাত্র বা ছাত্রীর জীবন-যাত্রার যাবতীয় খরচ পিতা-মাতা বা অভিভাবকরা বহন করে থাকেন, সংসারের কোন অভাব-অন্টন বা দুঃখ-কষ্টই তারা সন্তানদেরকে বুঝতে দেন না। কেন দেন না?

দেন না এ কারণে, যাতে তোমার কোমল মনে কোন দাগ না পড়ে, তোমার জীবন যেন আনন্দে ভরে ওঠে, সংসারের অভাব-অন্টন বা দুঃখ-কষ্ট যেন তোমার মনকে ছোট করে না দেয়, কোন দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপে তোমার পড়াশোনার মনোযোগে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তুমি যেন ক্যারিয়ার গঠনে অধিক মনোযোগী হও, অনেক স্বপ্ন নিয়ে বড় হও, সেভাবে নিজেকে গড়ে তোলো।

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ সন্তানের প্রতি বাবা-মা’র এই আশীর্বাদ চিরন্তন।

কিন্ত খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদির খরচ যোগানোর জন্য তোমার কোন চিন্তা করতে হয় না বলে তুমি মনে করতে পারো না যে তুমি তুমি ভাবনাহীন, স্বাধীন এবং তোমার কোন দায়বদ্ধতাও নেই।

আসলে পিতা-মাতা যে সন্তানের জন্য সৃষ্টিকর্তার কত বড় আশীর্বাদ তা একমাত্র সেসব ছেলে-মেয়েরাই ভাল বুঝতে পারবে যাদের বাবা-মা নেই। সন্তান যতদিন না নিজের পায়ে দাঁড়ানোর উপযুক্ত না হয় ততদিন বাবা-মায়ের মনে শান্তি থাকে না। কিন্তু তোমাকেও বুঝতে হবে- তোমার জন্য যে বাবা-মা নিজেদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিচ্ছেন, সেই বাবা-মাও এক সময় অক্ষম, অসহায় হয়ে পড়বেন। তোমাকে ভাবতে হবে তোমাকে নিয়ে তোমার বাবা-মা’ও অনেক স্বপ্ন দেখেন।

কাজেই ছাত্রজীবন বল্গাহীন স্বাধীন ও দায়িত্বহীন নয়। তোমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো পিতা-মাতা অক্ষম, অসহায় হওয়ার আগেই সফলভাবে শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উপযুক্ত বা সক্ষম করে গড়ে তোলা; যাতে তুমিও পিতা-মাতাকে সেভাবে সেবা-যতœ করতে পারো যেভাবে তারা তোমাকে আগলে রেখে বড় করে তুলছেন। নিজেকে এমনভাবে গড়ে তোল যাতে তোমার নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারো, পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারো।

আজকের ছাত্র/ছাত্রী আগামী দিনের নাগরিক। তাই তোমার উচিত এমনভাবে নিজেকে গড়ে তোলা, যাতে ভবিষ্যতে দেশের এবং মানুষের উন্নয়নে তুমি ভূমিকা রাখতে পারো এবং তোমার কৃতিত্বে দেশের সুনাম বৃদ্ধি পায়।

একইভাবে, তোমার এমন কিছু করা উচিত নয়, যার ফলে তোমার পিতা-মাতা, তোমার পরিবার, তোমার দেশ লজ্জায় মাথা নত করতে বাধ্য হয়।

তোমাকে উপলব্ধি করতে হবে- ভাল একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ে না তুললে বা অত্যন্ত সফলতার সাথে শিক্ষাজীবন শেষ না করলে তোমার পক্ষে ভাল কোন কর্মসংস্থান করা সম্ভব হবে না। আর যদি সেটা না হয়, তুমি যদি বেকার থাকো, তাহলে না পারবে তুমি নিজের কোন স্বপ্ন পূরণ করতে, আর না পারবে পিতা-মাতা, ভাই, বোন কিংবা নিজের স্ত্রী-সন্তানাদির প্রতি কোন দায়িত্ব পালন করতে।

কেউ যদি মনে করে যে, ছাত্রজীবন হচ্ছে হেসে-খেলে পার করার দিন তাহলে সে নিতান্তই নির্বোধ। নিজের ভবিষ্যত নিয়ে যে ভাবে না, যার কোন স্বপ্ন নেই, যার কোন ভবিষ্যত পরিকল্পনা নেই, তাকে কোন ভাবেই সুস্থ, পরিপূর্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ বলা যায় না। কেননা, কেবলমাত্র বুদ্ধি প্রতিবন্ধি, মাদকাসক্ত কিংবা চতুস্পদি প্রাণীরাই বোধহীন, বিবেকহীন, পরিকল্পনাহীন হয়ে থাকে।

সুতরাং প্রতিটি ছাত্র/ছাত্রীরই উচিত নিজেদের ক্যারিয়ার গঠনে যতœবান হওয়া। আসলে এটিই একজন ছাত্র বা ছাত্রীর প্রধান কর্তব্য। অধ্যয়নকে সাধনা, তপস্যা বা পবিত্র ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবেই নেয়া উচিত। হিন্দু ধর্মে যেমন বলা হয়েছে Ñ ছাত্রনং অধ্যয়নং তপঃ। অর্থাৎ অধ্যয়নই ছাত্রের তপস্যা। ছাত্রজীবনে পড়া-শোনার চাইতে আর কোন কিছুকে গুরুত্ব দেয়া উচিত নয়। যতই দেশের কথা, জাতির কথা আর রাজনীতির কথা বলা হোক না কেন ছাত্রত্বকে বাদ দিয়ে কোন ছাত্র-রাজনীতিকেই সমর্থন দেয়া যায় না। কারণ মেধাশূন্য নেতৃত্ব শেষ পর্যন্ত জাতির জন্য অভিশাপই বয়ে আনে। তাছাড়া অজ্ঞানতা ও মুর্খতার কারণেই জীবন ও জগৎ সম্পর্কে একপেশে ধারণা, কুপমন্ডুকতা, গোঁড়ামী, কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, অন্ধ বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা ও সন্ত্রাসবাদ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এ কারণে ইসলাম ধর্মে জ্ঞানার্জনের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। নারী পুরুষ সবার উপর জ্ঞানার্জনকে নামাজ-রোজার মতই ফরজ বা অত্যাবশ্যকীয় ঘোষণা করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে যে বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে সেগুলো হলো:

১. নিজেকে প্রস্তুত করার অঙ্গীকার করা এবং ক্যারিয়ার প্লান করা

২. রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করা ও রাত দশটার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া

৩. ভোরে ঘুম থেকে উঠে পরিচ্ছন্ন/পবিত্র হয়ে প্রার্থনা করার পর শরীর চর্চা করা এবং খালি পেটে পানি পান করা (লেবুর রস সহ)

৪. মনোযোগের সাথে নিয়মিত পড়াশোনা করা এবং হোমওয়ার্ক করা

৫. নিয়মিত এবং যথা সময়ে শ্রেণীকক্ষ, বিজ্ঞানাগার, সেমিনারে অংশগ্রহণ করা

৬. স্যার/ম্যাডাম যা বলেন তা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নোট নেয়া

৭. টিচার যা বলেন তা বোঝার চেষ্টা করা

৮. বিষয়বস্তু নিয়ে পর্যালোচনা করতে শেখা

৯. লেসন বা পাঠ সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা লাভের চেষ্টা করা

১০. পঠিত বিষয়ের সারাংশ বা মূলভাব উপলব্ধির চেষ্টা করা

১১. যথাসময়ে এবং নিয়মিত হোমওয়ার্ক/এসাইনমেন্ট সম্পন্ন করে জমা দেয়া এবং মানসম্পন্ন করার চেষ্টা করা

১২. গোজামিল ও অজুহাত বর্জন করা

১৩. পরীক্ষায় অসৎ উপায় অবলম্বন থেকে বিরত থাকা

১৪. প্রাতিষ্ঠানিক সততা ও ন্যায়পরায়ণতা প্রদার্শন করা

১৫. কলেজের শিক্ষকদের সাথে সতর্ক ও সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা

১৬. কলেজের রিসোর্সগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করা এবং প্রয়োজনে সহযোগিতা নেয়া

১৭. পড়াশোনায় মনোযোগী ভাল ছাত্রদের সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, যারা ক্লাশের বাইরেও কলেজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

১৮. শিক্ষাগত সাফল্যের লক্ষ পূরণের জন্য পরিকল্পনা নির্ধারণ, উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের চেষ্টা

১৯. সব সময় শিষ্টাচার বজায় রাখবে যাতে তোমার কলেজের শিক্ষা, নিয়ম-নীতি ও সামাজিক পরিবেশের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

২০. ভিন্ন মত ও মতাদর্শের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে

২১. বড়দের সম্মান করা এবং ছোটদের ¯েœহ করা

২২. খেলাধূলা/বিনোদনে অংশগ্রহণ করা

২৩. সময় মত সব কাজ করা

২৪. রুটিন মেনে চলা এবং সময় নষ্ট না করা

২৫. নিজের এবং পিতা-মাতার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করা

মোটকথা ছাত্রজীবনের প্রধান কর্তব্য শিক্ষাজীবনে সফলতা লাভে সচেষ্ট হওয়া, ভাল একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করা, এর জন্য পরিকল্পনা করা, ক্যারিয়ার রোডম্যাপ তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া, ভাল পাঠোভ্যাস গড়ে তোলা। স্কুল, কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ে সর্বত্র ভাল রেজাল্ট করার পাশাপাশি ভাল-আদর্শ স্টুডেন্ট হওয়ার চেষ্টা করা এবং ভাল ও সৎ স্টুডেন্টদের সাথে মেশা, তাদের নিয়ে স্টাডি গ্রুপ তৈরি করা, খেলাধুলা করা, শিক্ষা প্রতিষ্টানের বিভিন্ন কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করা, টিচারদের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলা, তাদের পড়ামর্শ নেয়া এবং তাদের কাজে সহযোগিতা করা, সামাজিক ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা। একই সাথে নেশাখোর, সন্ত্রাসী, জঙ্গি, পড়াশোনায় অমনোযোগী তথা খারাপ স্টুডেন্টদের সাহচর্য ও মাদকাসক্তি থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে হবে। কথায় বলে, সৎ সঙ্গে স¦র্গবাস অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।

তবে এটা মনে করা ঠিক নয় যে, ছাত্রজীবন অত্যন্ত নিরস এবং আনন্দদায়ক নয়; বরং সত্যি কথা হলো- এই সময়টাই হলো মানব জীবনের সবচেয়ে সোনালী সময়, ভাবনাহীন আনন্দের সময়। এছাড়া পড়াশোনা এবং অধ্যয়নও অত্যন্ত আনন্দদায়ক, কেননা, এটি তোমার জন্য অজানাকে জানার দরজা উন্মুক্ত করে দেয়।

তুমি শিক্ষামূলক কিছু শখের চর্চা করতে পারো, যেগুলো তোমাকে প্রচুর আনন্দ দিবে আবার শিক্ষণীয়ও হবে। যেমন- তুমি প্রকৃতি বিষয়ে ডিবেটিং সোসাইটি বা ক্লাবে যোগ দিতে পারো যা তোমাকে আত্ম-উন্নয়নে সাহায্য করবে।

বিভিন্ন উপলক্ষে তুমি আবৃত্তি, গান অথবা নাটকের কোন চরিত্রে অভিনয়ও করতে পারো, যার প্রতিটিই অত্যন্ত আনন্দের।

মাঝে মধ্যে তুমি সংক্ষিপ্ত শিক্ষা সফরেও যেতে পারো, এর মাধ্যমে তুমি অনেক সহজে নিজের দেশ দেশের মানুষকে জানতে পারবে।

আর একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ডিসিপ্লিন শিখতে হবে; কেননা, এর মাধ্যমেই সে তার জীবনের জন্য সঠিক প্রশিক্ষণ নিতে পারে।

এছাড়া তুমি তোমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পিকনিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতেও অংশগ্রহণ করতে পারো, যা তোমাকে আনন্দ ও উৎসাহ প্রদান করবে।

আর এসব কর্মকা-ই টীম-স্পিরিটের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় যা উৎসাহব্যাঞ্জক।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই এই কথাটি মনে রাখতে হবে যে, শিক্ষা গ্রহণই হচ্ছে শিক্ষাজীবনের আসল উদ্দেশ্য এবং এই শিক্ষাগ্রহণকেই সবার উপর প্রাধান্য দিতে হবে। তবে এর পাশাপাশি সে প্রাতিষ্ঠানিক এবং পাঠ্যক্রম বহির্ভূত শিক্ষামূলক কর্মকা-েও অংশগ্রহণ করতে পারে।

ছাত্রজীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু কুপ্রবৃত্তির পূজা বা মন যা চায় তাই করে বেড়ানো। কথায় বলে ‘আপনা মাংসে হরিণা বৈরী’ বা নিজের মাংসই হরিণের বড় শত্রু। টগবগে তারুণ্যই ছাত্রজীবনের অহংকার। কিন্তু প্রবৃত্তিপূজা বা কুপ্রবৃত্তির কাছে আত্মসমর্পন বা বল্গাহীন উচ্ছৃংখলা ছাত্রজীবন তথা ক্যারিয়ার গঠনকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এক্ষেত্রে নিষ্ঠার সাথে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা; পূর্ণ মনোযোগের সাথে নামাজ পড়া ও রোজা রাখা, অর্থসহ কোরআন তেলাওয়াত ও হাদীস পাঠ, আত্মিক উন্নতিমূলক ধর্মীয় বই পড়া রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করতে পারে, যা তোমাকে অসৎ সঙ্গ ও কু-অভ্যাস থেকে রক্ষা করে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা ও সমৃদ্ধি দান করবে। এর ফলে আত্মগঠন তথা জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি নৈতিক ও আত্মিক উন্নয়ন সহজ হবে। বলাবাহুল্য শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্যই হল মানুষকে শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক উন্নতির মাধ্যমে সর্বোচ্চ নৈতিক আদর্শে উন্নীত করা। আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-এর শিক্ষাই ছিল এটি। তিনি বলেছেন, ‘নৈতিক চরিত্রের পূর্ণতা বিকাশের জন্যই আমাকে পাঠানো হয়েছে’।

দখা যাচ্ছে ছাত্রজীবন মোটেও হেলাফেলার সময় নয়। এ সময়ে যারা প্রাতিষ্টানিক শিক্ষা, চরিত্র গঠন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সৃজনশীলতার বিকাশে যতœবান হয় জীবনের সফলতা তাদের জন্যই অপেক্ষা করতে থাকে। অন্যদিকে এ সময়ে যারা হেলাফেলায় সময় নষ্ট করে, নেশাগ্রস্থ হয়ে ও অসৎ বন্ধু-বান্ধবদের পালায় পড়ে বেঘোরে সময় নষ্ট করে এবং সময়ের কাজ সময়ে করতে পিছপা হয়, পরবর্তী জীবনে তাদের জন্য কেবল আফসোস, হতাশা ও অভিশাপই অপেক্ষা করতে থাকে। অতএব আমরা এ সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, ছাত্রজীবন মোটেই উদ্দেশ্যহীন ও দায়িত্বহীন জীবনের নাম নয়। বরং ছাত্রজীবনেই পালন করতে হয় মানব জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আর সে দায়িত্ব হচ্ছে নিজেকে গড়ার দায়িত্ব। পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়াই হচ্ছে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

সূত্র:

ছাত্রজীবন: সাফল্যের শর্তাবলী

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ