মঙ্গলবার ৩০ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

পূজামন্ডপে সৃষ্ট উত্তেজনার ঘটনায় আওয়ামী লীগ পুরোপুরি উসকানি দিচ্ছে -মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পূজামন্ডপে সৃষ্ট উত্তেজনার ঘটনায় আওয়ামী লীগ পুরোপুরি মদদ ও উসকানি দিচ্ছে। যা দেশের ভাবমর্যাদাকে বিনষ্ট করছে। গতকাল শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন। সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুইদিনের সফরে সকালে চট্টগ্রাম আসেন। আজ শনিবার বিকেলে তিনি মহানগর বিএনপির কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হাজার বছর ধরে আছে। দুঃখজনকভাবে এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে, তাদের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্য তারা সবসময় বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রকম সমস্যা তৈরি করছে। মাঝে মাঝে তাদের মূল সংকটগুলো থেকে জনগণের দৃষ্টি দূরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। এ ধরনের ঘটনা কখনো কাম্য নয়। আমরা গতকাল বিবৃতি ও নিন্দা জানিয়েছি। আমরা দাবি করছি যে অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হোক এবং তাদের বিচারের আওতায় আনা হোক।  

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন। তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দেশকে উন্নত করার জন্য তাঁর বহু অবদান রয়েছে। সেই নেত্রীকে আজকে অন্যায়ভাবে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। তিনি বর্তমানে করোনা পরবর্তী নানা জটিলতা ও পুরোনো রোগে গুরুতর অসুস্থ। দীর্ঘ চার বছর তাকে কারাগারে রাখার কারণে চিকিৎসা না হওয়ায় তিনি অনেকগুলো রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তার হার্ট, কিডনি ও লিভারে সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাঁর পুরোনো অসুখ আর্থ্রাইটিসও রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, তিনি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন। কিন্তু সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে। তিনি বেগম খালেদা জিয়া এবং গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য চট্টগ্রামবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, শফিকুর রহমান স্বপন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, শাহ আলম, ইস্কান্দর মির্জা, আবুল মান্নান, মহানগর আহবায়ক কমিটির সদস্য জয়নাল আবেদিন জিয়া, হারুন জামান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আনোয়ার হোসেন লিপু, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, মো. কামরুল ইসলাম, উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মো. সালাউদ্দীন, নুরুল আমিন, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, নূর মোহাম্মদ, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, আওয়াল চৌধুরী, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মো. সেলিম চেয়ারম্যান, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, অধ্যাপক মো. মহসিন, কাজী সালাহ উদ্দিন,আবু আহমদ হাসনাত, জাকের হোসেন, দক্ষিণ জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য জামাল হোসেন  প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ