বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর ২০২১
Online Edition

রংপুরে সম্ভাবনাময় ইকোপার্ক এবং বিনোদন কেন্দ্র 

মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, রংপুর অফিস : রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাল্টি গোপলপুরে সরকারি বনভূমীতে গড়ে উঠেছে এই অঞ্চলের একমাত্র ইকোপার্ক এবং পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র। বনবিভাগের রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ১৩নং গোপালপুর ইউনিয়নের শাল্টি গোপালপুর রেঞ্জর  ২২৬ একর শালবাগান এলাকা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই বিনোদন ইকোপার্কটি। ইতোমধ্যে সীমানা প্রচীরসহ বেশকিছু অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছে। ইকোপার্কটি বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পূর্ণাঙ্গ পরিপূর্ণতা পেলে সরকারি রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এটি ঘটাতে পারে নতুন বিপ¦ব। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা, চারিদিকে সবুজের সমারহ জীব-বৈচিত্রের নির্ভরযোগ্য বিচরণ ভূমি এই শালবন। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্ধার করা বন্যপ্রাণীও অবমুক্ত করা হয়ে থাকে এই শালবনে। মিঠাপুকুর উপজেলার এই শালবনকে ঘিরেই ইকোপার্ক করার দীর্ঘদিনের দাবি এই অঞ্চলের মানুষের। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ এইচএন আশিকুর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০১৩ সালে ২২৬ একর বনবিভাগের জমিতে শুরু হয় ইকোপার্কের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ। সামাজিক বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারিভাবে চাহিদাপত্র ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জীব-বৈচিত্র সংরক্ষণ ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বনের অভ্যন্তরীন পাকা সড়ক, পার্ক অফিস, টিকিট কাউন্টার, প্রবেশদ্বার, দোলনা, পিকনিক স্পট, বেঞ্চ, দর্শনার্থীদের জন্য কক্ষ, ওভারহেড পানির ট্যাঙ্কসহ বিনোদনের জন্য বেশকিছু অবকাঠামো। নির্মাণ কাজ শেষ না হলেও দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠতে শুরু করেছে শাল্টি গোপালপুরের দৃষ্টিনন্দন শালবন ইকোপার্ক। এছাড়া চলতি বছর প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে সীমানা প্রাচীর। শাল্টি গোপালপুরের এই শালবন ইকোপার্ক স¤পূর্ণরুপে বাস্তবায়ন না হওয়ায় দর্শনার্থীদের আগ্রহ পরিপূর্ণতা পাচ্ছে না। বিশেষ করে ইকোপার্কটির প্রধান প্রবেশদ্বারে কোনো পাহারাদার এবং বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় দর্শনার্থীদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। দীর্ঘ ৮ বছরেও ইকোপার্কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ