সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

রাঙ্গুনিয়ার রাসেল এভিয়ারি পার্ক দৃষ্টি কাড়ছে পর্যটকদের

নুরুল আবছার চেীধুরী, রাঙ্গুনিয়া (কাপ্তাই) : সবুজে ঘেরা অরণ্যে খাঁচায় দেশী-বিদেশী পাখিদের মধুর শব্দ যেনো পাহাড়ের বুকে নতুন প্রাণ দিয়েছেন। সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য রাঙ্গামাটির সাথে ঘেষে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার হোছনাবাদ-চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ৫২০ একর বনভূমি নিয়ে গড়ে উঠেছে রাঙ্গুনিয়া শেখ রাসেল এভিয়ারি এন্ড ইকোপার্ক। শহরের কোলাহলধ্বনি ও মানষিক পেরেশানি থেকে মুক্তি পেতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু মানুষের বিনোদনের জন্য ইতোমধ্যেই শেখ রাসেল এভিয়ারী এন্ড ইকোপার্ক নৈসর্গিক মনোরম নিরিবিলি পরিবেশের জন্য দৃষ্টি কাড়ে দর্শনার্থীদের। পার্কের গেইট ধরে প্রবেশের ডান পাশে মনোরম কৃত্রিম লেক ও আইসল্যান্ড। লেকের সাথে ঘেষে সবুজ রংবেরং'র ছাইনী এতে যেকোন পর্যটকের মন মাতাবে। লেক-ছাইনীর উপর দিয়ে দেশের দীর্ঘতম কেবল কার। কেবল কারটি দেশের সবচেয়ে দ্রতগামীও বটে। সেকেন্ডে ২.৪ মিটার গতিতে লোয়ার স্টেশন থেকে আপার স্টেশনে যেতে এই কেবল কারের সময় লাগে সাত থেকে দশ মিনিট। এই পার্কের অন্যতম আকর্ষণ কেবল-কার। যেখান থেকে দর্শনার্থীরা রাঙ্গামাটির রাম ও সিতা পাহাড়ের আবৃত্ত অনায়াসে দেখতে পারে। শুধু তাই নয়, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শস্যভান্ডার গুমাই বিলের অপরুপপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ যেকেউ দর্শনার্থী। সবুজের বুকে সব ধরনেরাস্তা দিয়ে যাওয়া যায় পার্কের শেষ গন্তব্য। পার্কের পথ ধরে মধ্যেখানে আছে ফুট হাউজ, গেস্ট হাউজ। পার্কের বিভিন্ন স্পটে মিনি চিড়িয়াখানায় যেনো হরিণের বিচরণ, দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতের পাখি, হাঁস, ময়ূর, পাখির কলকাকলি, বর্ধনকারী ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ। ময়ূর, সজার খরগোশ ও বানরের হতচকিত চাহনি আর এলোমেলো হাঁটা পথ। প্রকৃতিকে জানা এবং সৌন্দর্যকে কাছে থেকে দেখা বিনোদন প্রিয় যে কারো কাছেই এক লোভনীয় বিষয়। বর্ষাকালীন যেনো বৃষ্টিস্নাতে সবুজ গাছপালা আর পার্কের পাখির কলকাকলি এবং পাহাড়ের ওই কুলে সমুদ্রের ডাকে হারিয়ে যাবেন অন্য জগতে। রাঙ্গুনিয়া শেখ রাসেল এভিয়ারী এন্ড ইকোপার্কের ফরেষ্টার মো. হাসিবুল রহমান জানান, ২৩ টাকা মূল্যের টিকিটে ৫২০ একর বনভূমির অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। নিরাপত্তার স্বার্থে ৪২ জন বনকর্মী সবসময় কাজ করছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ