সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

খুলনাসহ উপকূলীয় এলাকায়  অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সুন্দরবন পর্যটক কেন্দ্র

মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ, পাইকগাছা: নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অবারিত ভূমি সুন্দরবন। বিশ্বের সেরা ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট। এ অঞ্চলে সব চেয়ে সৌন্দর্য্যমন্ডিত পর্যটক কেন্দ্র আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার শ্যামনগর, কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম সেন্টার শ্যামনগর, মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, আন্ধারমানিক ফরেস্ট অফিস কয়রা,

খাসিটানা ফরেস্ট অফিস কয়রা, গোলখালি পর্যটন কেন্দ্র ,বজবোজা ফরেস্ট অফিস কয়রা , করমজল ইকোট্যুরিজম সেন্টার , হাড়বাড়িয়া ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার,  কটকা অফিস পাড়, কটকা অভায়ারণ্য, জামতলা সিবিচ, কচিখালি, ডিমের চর ,দুবলার চর,আলোর কোল ,হিরণ পয়েন্ট ,বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড, পুটনির দ্বীপ  উপকূলীয় অর্থনীতিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন । এসব পর্যটক কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকার গাছের সঙ্গে কম বেশি সবাই পরিচিত। কেওড়া, সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, গোলপাতা, গরান, কাঁকড়া ,হেতালি গাছ, গর্জন গাছ,ওড়াগাছ, চান্দা গাছ, আম গাছ, কাঁঠাল গাছ, নারকেল গাছ, জাম গাছ, কাগজীলেবু গাছ যা দেখলে মন জুড়িয়ে যায় মন চায় হারিয়ে যায় ওই লীলাভূমিতে, গহীন বনের মধ্যে আছে পুরনো জমিদার বাড়ি, কালিবাড়ি পুরনো বিল্ডিং, শাহের বাড়ি পুরনো বিল্ডিং, এবং সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, পশুপাখি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের রক্ষাকবচ। সারি সারি সবুজে ভরা কেওড়া গাছ দেখলে সবারই নজর কাড়বে। গোলফল ও কেওড়া ফল উপকূলীয় মানুষের জন্য খুবই উপকারী এবং সুস্বাধু।  সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার  লবণাক্ত জমি, নদ-নদী, খালের চরগুলোতে ব্যাপক হারে জন্মে কেওড়া গাছ যা উপকূলের প্রান্তিক জনগণের বাড়তি আয়ের উৎস।কেওড়া ফলটি টক স্বাদযুক্ত হওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি করে অনেক পরিবারের রুটি-রুজির ব্যবস্থা হয়। কেওড়া ফলকে ঘিরেও গড়ে উঠতে পারে শিল্প।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ