রবিবার ২৮ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

ফিটনেস টেস্টে এবার একবারেই পাস নাসির হোসেন

 স্পোর্টস রিপোর্টার : ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে ফিরে পাওয়ার মিশনে চোখ রাখছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। এবার নতুন উদ্যমে শুরুর পরিকল্পনা তার। কিছু দিন আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন জাতীয় দলে ফেরার ইচ্ছার কথা। সেই ইচ্ছার প্রমাণও মিলল এবারের ফিটনেস পরীক্ষা ‘ইয়ো ইয়ো টেস্টে’।  যেখানে নাসির একবারেই পরীক্ষায় উতরে গেছেন। মিরপুরে ফিটনেস টেস্টে ১৭ এর ওপরে স্কোর করেছেন নাসির। তার ভাষ্য, ‘সম্ভবত ১৭.৪।’ ফিটনেসে উন্নতীর ছাপ স্পষ্ট। ২২ গজে মনোযোগী হলেই নতুন সূর্যর উদয় হবে। নয়তো আড়ালেই থেকে যাবেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরুর আগে বিপ টেস্টে নাসিরের স্কোর ৯.২! করোনার প্রার্দুভাবের পর ২০২০ সালের নভেম্বরে ক্রিকেট মাঠে গড়ালে শুরু হয় বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ। এর আগে বিপ টেস্টে নাসিরের স্কোর সর্বনিম্ন, ৮.৫। সেবার টি-টোয়েন্টি ড্রাফটেও তাকে রাখেননি নির্বাচকরা। এদিন মিরপুরে ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা মেট্রোর ক্রিকেটাররা। ধাপে ধাপে বাকি বিভাগের ক্রিকেটাররাও ফিটনেস টেস্ট দেবেন।

১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ। আসন্ন ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) শুরু হবে চলতি মাসের মাঝামঝি সময়ে। এই টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন ক্রিকেটাররা। তার অংশ হিসেবে গতকাল মিরপুরে হয়েছে ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট। এবার আর বিপ টেস্ট নয়, ইয়ো ইয়ো টেস্ট দিয়েছেন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাওয়া ক্রিকেটাররা। ৮টি দলের মধ্যে গতকাল ফিটনেস টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন ৩টি দলের খেলোয়াড়রা। জানা গেছে ইতিবাচক ফল করেছেন সবাই। গতবার ফিটনেস টেস্টে ব্যর্থ হলেও এবার উতরে গেছেন নাসির হসেন। ফিটনেস টেস্ট প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সবার মোটামুটি খুব ভালো অবস্থা। এটা ভালো হওয়ার কারণ এবার প্রত্যেক দল অনেকদিন ফিটনেস ক্যাম্প করেছে। এবার কেউ খারাপ করেনি। লক্ষ্যের চেয়ে উপরে আছে সবার নম্বর। এটা ইতিবাচক দিক। আগে দেখা যেত অনেকে ভালো করছে না বা ফিটনেস ভালো নয় দেখে বাদ পড়ছে। আমার মনে হয় না এবার ওরকম কোনো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে। বাকিটা পুরো রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে।’  ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্টের সুফল জানাতে গিয়ে রাজ্জাক বলছিলেন, ‘আমি নিজে যখন দিয়েছি, কখনই বলিনি কাজটা ভালো না। আমি সবসময় উৎসাহ দিয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে এটা করা উচিৎ। টেস্টের পরই ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের স্থান। ফিট থেকে সবার মাঠে নামা উচিৎ। দিনশেষে এখান থেকেই টেস্ট খেলোয়াড় তৈরি হবে। এখনও প্রাথমিক ধাপ, এরপর প্র্যাকটিস করবে এরপর ম্যাচে নামবে। কিন্তু ফিট থাকলে খেলার সময় আর চিন্তা করতে হবে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ