শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০ লক্ষ টাকা আত্মাসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত 

মোঃ লাভলু শেখ, লালমনিরহাট : লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বাবুর আলী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মাসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় কেন তার বেতন-ভাতা বন্ধ করা হবে না মর্মে শোকজ করা হয়েছে ওই প্রধান শিক্ষককে। অভিযোগে জানা গেছে, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জের বাবুর আলী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২০১৯ সালে ৪ তলা আইসিটি ভবনের বরাদ্দ পায় স্কুলটি। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্কুলটির পূর্বের ভবন ওয়াকশন না দিয়ে সেটি আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মোল্লা। তিনি স্কুলের পুরনো বিল্ডিংয়ের ওয়াকশনে না দিয়ে অফিস কক্ষের ২ রুম ও ক্লাসরুমের ০৬টি কক্ষ ভেঙ্গে পুরাতন ইট , গুড়া বালু, টিন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিজের বাড়ির দেয়াল ও গোডাউনের কাজে লাগান এবং অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। 

 এলাকাবাসী আরো জানান, পরিতক্ত জিনিসপত্র নিলাম বা ওয়াকশনে নিলে উক্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকার এর ১০ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হতো। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি কোন প্রকার নিলাম বা ওয়াকশন না দিয়ে গোপনে উক্ত মালামাল গুলো বিক্রয় ও নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে ও বিক্রয়কৃত টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা প্রদান না করে নিজেই আত্মসাৎ করেন।

 শুধুমাত্র তাই নয় প্রধান শিক্ষক একক সিদ্ধান্তে রাতারাতি মনগড়া স্কুল কমিটি গঠন করে এবং সেই কমিটি দ্বারা নিয়োগ বাণিজ্যসহ রাতারাতি কতিপয় লোকের সহযোগিতায় রাস্তার গাছ কাটে যার আনুমানিক মূল্য ৫ লক্ষ টাকা। ওই ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ায় একক ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠানের গাছ আরো কয়েক ধাপে কেটে আত্মসাৎ করেন। 

 এবিষয়ে বাবুর আলী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি নন বলে মুঠোফোনে জানান।

 উচ্চ মাধ্যমিকের উপ -পরিচালক (রংপুর) বিভাগ জানান, অভিযোগ তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় তাকে শোকজ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ