শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

২৭ সেপ্টেম্বরের পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলা যাবে

স্টাফ রিপোর্টার : আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধন শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু এবং আবাসিক হল খুলে দিতে পারবে।
গতকাল মঙ্গলবার উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হল খোলা এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও ভিসিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরুর লক্ষ্যে গতকালকের ভার্চুয়াল বৈঠকের কথা জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার টিকার নিবন্ধন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যেসব শিক্ষার্থীর এনআইডি আছে, কিন্তু টিকার জন্য নিবন্ধন এখনো করেননি, তারা ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন করে টিকা নেবেন।
আর যেসব শিক্ষার্থীর এনআইডি নেই, তারা জন্মসনদ ব্যবহার করে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবলিংকে প্রবেশ করে জন্ম সনদ নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন করবেন। শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর তাদের সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়, ইউজিসির এই লিংক সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও শিক্ষার্থী নিবন্ধন লিংক পাওয়া যাবে। ইউজিসি আগামী বৃহস্পতিবার এ লিংকটি প্রকাশ করবে।  যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হয়, সে ক্ষেত্রেও তিনি জন্ম সনদ ব্যবহার করে শিক্ষার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করতে পারবেন।
যাদের জন্ম সনদও নেই, তারা আগে জন্ম সনদ করে নিয়ে তারপর শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন করবেন। শিক্ষার্থী নিবন্ধনের পর সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন করে টিকা নিতে হবে।
বৈঠকে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরাতাদের মতামত তুলে ধরেন। কত দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়া যায় সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে বলে সভায় জানানো হয়।
শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহবিুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা  বিভাগের  সচিব  মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ,  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাসহ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতিনিধি, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভার্চুয়াল বৈঠকে যুক্ত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ