সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

ভুল তথ্যে আটকে গেছে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ

স্টাফ রিপোর্টার : বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভুল তথ্য যুক্ত করায় তাদের বৃত্তির অর্থ প্রদান করা হচ্ছে না। এসব সংশোধন করা হলে ব্যাংক হিসাবে তাদের পাওনা অর্থ পাঠানো হবে বলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

গত বুধবার জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে রাজস্ব খাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে অর্থ বিভাগ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়। তার আলোকে ওই অর্থবছর থেকে বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হচ্ছে। অতিমারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে বন্ধ থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সহযোগিতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৪৮ জন শিক্ষার্থীকে ৩৫ কোটি ২৯ লাখ ৫২ হাজার ৮৭০ টাকা দেয়া হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৪ জনের ব্যাংক হিসাবে দেয়া হয় ২৩৮ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০ টাকা।

বৃত্তিপ্রাপ্ত কিছু শিক্ষার্থীর তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বর, ব্যাংক ও শাখার নাম রাউটিং নম্বর, বৃত্তির ধরন, পাসের সাল, অধ্যয়নরত শ্রেণি, বাবা-মার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, একই শিক্ষার্থীর তথ্য একাধিকবারসহ নানা ধরনের ভুল তথ্য প্রতিষ্ঠান থেকে যুক্ত করা হয়েছে। আবার কিছু শিক্ষার্থীর সব তথ্য সঠিক থাকলেও তাদের ব্যাংক হিসাব যুক্ত না করায় বৃত্তির টাকা পাঠানো যাচ্ছে না।

বলা হয়েছে, বর্তমানে মাউশির নির্ধারিত সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ চলমান। বৃত্তিপ্রাপ্ত (মেধা ও সাধারণ কোটা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়/শ্রেণির উপবৃত্তি ও পেশামূলক বৃত্তি) শিক্ষার্থীদের নতুন তথ্য যুক্ত ও ভুল তথ্য সংশোধন সংক্রান্ত সব কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। সফটওয়্যার উন্নয়নকাজ শেষ হলে পুনরায় তথ্য এন্ট্রি ও ভুল সংশোধনের জন্য বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হবে। যে সব শিক্ষার্থী বৃত্তির টাকা পায়নি প্রতিষ্ঠান থেকে ভুল সংশোধন সাপেক্ষে পরে বিধি মোতাবেক তাদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ