শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

টাগবোট না পেয়েই ২৩ কোটি টাকা পরিশোধ তদন্তের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার: ‘টাগবোট না পেয়েই ২৩ কোটি টাকা বিল পরিশোধ’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ নজরে আসার পর এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্ত করে আগামী দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন আদালত। তদন্তে দুদককে সহযোগিতা করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য ২৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করার পর তা আমলে নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

আদালতে গতকাল দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি ও মো. সাইফুর রহমান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, গতকাল একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ‘টাগবোট না পেয়েই ২৩ কোটি টাকা বিল পরিশোধ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ হাইকোর্টের নজরে আসলে বিষয়টি নিয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত করে আগামী দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্যে বলেছেন আদালত।

‘আর তদন্তে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য বলেছেন। বিষয়টি পরবর্তী শুনানির জন্য ২৪ অক্টোবর কার্যতালিকায় আসবে।’

এর আগে পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দর র্কর্তৃপক্ষ টাগবোট (সাহায্যকারী জলযান) কিনতে ৩৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় চুক্তি করেছিল একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে টাগবোটটি বন্দর র্কর্তৃপক্ষকে সরবরাহের কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফায় সময় বাড়িয়েও তা সরবরাহ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিউ ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড।

এমন পরিস্থিতিতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই নির্দেশনা পালন না করে উল্টো টাগবোটের দেখা না পেলেও বন্দর র্কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে চার ধাপে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটিকে ২৩ কোটি ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৩ টাকা বিল দিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একটি জলযান কিনতে অনিয়মের এমন চিত্র উঠে এসেছে সরকারি একটি দায়িত্বশীল সংস্থার প্রতিবেদনে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ