সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

পরীমনি-হেলেনা জাহাঙ্গীরসহ ৮ জনের ব্যাংক হিসাব তলব

স্টাফ রিপোর্টার : আলোচিত নায়িকা পরীমনিসহ আটজনের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-বিএফআইইউ’। এদিকে মাদকের মামলায় মডেল পিয়াসা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পরীমনি ছাড়া যে সাতজনের ব্যাংক হিসাব চাওয়া হয়েছে, তারা হলেন- প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ, মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, মরিয়ম আক্তার মৌ, আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীর, বরিশালের বানারীপাড়ার রোজিনা আক্তার, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নেয়ামত উল্লাহর দুই ছেলে মিশু হাসান ও সালেহ চৌধুরী ওরফে কার্লোস। গতকাল বুধবার ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে। ব্যাংকগুলোতে বিএফআইইউ’র পাঠানো চিঠিতে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ, মা-বাবার নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের হিসাবের সব তথ্য পাঠাতে হবে। এদিকে, চিঠিতে পরীমনির নাম ‘শামসুন নাহার স্মৃতি’ উল্লেখ করা হয়েছে। তার ঠিকানা বলা হয়েছে, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বগিরাতপুরের মিরুখালী গ্রাম।
পিয়াসা রিমান্ড শেষে কারাগারে : বনানীর রেইনট্রিতে ধর্ষণকাণ্ড ও গুলশানের মুনিয়া আত্মহত্যাকাণ্ডে আলোচনায় আসা সেই ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারা থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহর আদালত এই আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিন ভাটারা থানার মাদকদ্রব্য আইনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মডেল পিয়াসাকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। এরপর আবারও একই মামলার পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অন্যদিকে পিয়াসার গুলশান থানার মাদকের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত এই মামলায় ও রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ৭ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে পৃথক তিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা আদালতে হাজির করেন।এরপর খিলক্ষেত থানার মাদকের মামলায় ৭ দিন, ভাটারা থানায় মাদক মামলায় ১০ দিন ও গুলশান থানায় মাদক মামলায় ১০ দিন। মোট তিন মামলায় ২৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশ। অন্যদিকে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত খিলক্ষেত থানার মামলায় ৩ দিন, ভাটারা থানার মামলায় ৩ দিন ও গুলশান থানার মামলায় ২ দিন। তিন মামলায় মোট ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ