বুধবার ২৫ মে ২০২২
Online Edition

বিলম্বিত বিচার ও তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা

ইবনে নূরুল হুদা : বিলম্বিত বিচার অবিচারের নামান্তর। বিচারপ্রক্রিয়া যত বিলম্বিত হয়, ন্যায়বিচারের সম্ভাবনা ততই কমতে থাকে। উইলিয়াম গ্লাডস্টনের (William E. Gladstone) ভাষায়, Justice delayed, is justice denied. তাই বিচারকাজে দীর্ঘসূত্রতা কোনভাবেই কাম্য নয় বরং যৌক্তিক সময়ের মধ্যেই সকল প্রকার বিচার সম্পন্ন হওয়াই ন্যায়বিচারের দাবি। আমাদের দেশে বিশেষ বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার সংক্রান্ত আইন ও নির্দেশনা রয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়, দেশে বিচারপ্রাপ্তির অধিকার সকল নাগরিকের জন্য সমান্তরাল নয়। যা সংবিধান ও আইনের শাসন বিরোধী।
আমাদের দেশে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার বিষয়টি প্রমাণিত। কিন্তু বিশেষায়িত কোন মামলা নয় বরং ন্যায়বিচারপ্রাপ্তির জন্য সকল মামলার দ্রুততার সাথে নিষ্পত্তি হওয়াই আইন ও সংবিধানের দাবি। প্রতিবেশী দেশ ভারতে কোনও কোনও মামলার নিষ্পত্তির জন্য দ্রুতবিচার অর্থাৎ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের ব্যবস্থা রয়েছে। বিষয়টিকে সুনজরে দেখেননি দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি এক রায়ে বলেছেন, বিশেষ ধরনের মামলা নয়, গোটা ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকেই দ্রুততর করার জন্য কাঠামোগত সংস্কার করা দরকার।
ভারতীয় সুপ্রীম কোর্টের এই আদেশ খুবই যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত। কারণ, গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য স্বতন্ত্র বিচার প্রক্রিয়া সমর্থন করে না। যদি দ্রুতবিচার সকলের প্রাপ্য হয়, তাহলে বিশেষ ক্ষেত্রে রুজু হওয়া ফৌজদারি মামলাগুলোকে আলাদা করে সকলের আগে নিষ্পত্তি করার যৌক্তিকতা থাকে না। বিষয়টি সংবিধান, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের সাথে সাংঘর্ষিক।
আমাদের সংবিধানের ১৯(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবে।’ রাষ্ট্রনায়ক আলেকজান্ডার হ্যামিল্টনের বক্তব্য হলো, ‘The first duty of society is justice.’ মূলত সমাজ তথা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হলো মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আর ন্যায়বিচার ও সমতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমতল ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়। একটি আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সমাজের সকল শ্রেণির নাগরিকের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা বিধান করা।
সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে একমাত্র আইন-আদালতের মাধ্যমেই মানুষ তার ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে অপরাধ তদন্তে দীর্ঘসূত্রতার  কারণে মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কারণ, অপরাধ তদন্তে রাজনৈতিক প্রভাব, তদন্ত কর্মকর্তার উদাসীনতা, গাফিলতি ও অনৈতিকতায়  ভিকটিমরা যথাযথ প্রতিকার পাচ্ছেন না। ফলে বিচারপ্রক্রিয়া অনাকাক্সিক্ষতভাবে বিলম্বিত হচ্ছে। এমনকি তদন্তে অহেতুক বিলম্বের কারণে অনেক মামলার বিচারকাজই শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। অবস্থার এই অবনতি হয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়ার ন্যূনতম সম্ভাবনাও থাকছে না। ফলে আমাদের সুশাসনের ধারণাটি প্রশ্নবিদ্ধই থেকে যাচ্ছে।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে  প্রকাশিত একটি উদ্বেগজনক খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দীর্ঘসময়েও সারাদেশের বিপুলসংখ্যক চাঞ্চল্যকর খুনের মামলার রহস্য উদ্ঘাটিত হচ্ছে না বা করা যাচ্ছে না। ফলে মামলাগুলোর তদন্তের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এক যুগ বা তারও অধিক সময় ধরে রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি এমন হত্যা মামলার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এদের মধ্যে খুন হয়েছেন শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, রাজনীতিক, ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তদন্তকারী কর্মকর্তারা খুনের রহস্য উদ্ঘাটন তো দূরের কথা, খুনের ক্লু পর্যন্ত খুঁজে বের করতে পারছেন না। এসব খুনের মামলা তদন্ত কার্যত হিমাগারে চলে যাওয়ায় খুনের আসামীদের বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অপরাধীরা সকল প্রকার ভয়-ভীতির উর্ধ্বে থেকে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অপরাধ প্রবণতা। ভুক্তভোগী পরিবার-পরিজন বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। পুলিশ সদর দফতর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ফলে দেশে আইনের শাসন নিয়ে নানাবিধ প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে; অবনোমন ঘটছে বৈশ্বিক সূচকেও। যা অনাকাক্সিক্ষত ও অনভিপ্রেত।
সূত্রমতে, পুলিশ, র‌্যাব, সিআইডি, ডিবি ও থানা পুলিশ সারাদেশের চাঞ্চল্যকর খুনের মামলাগুলোর তদন্ত করে। বছরের পর বছর ধরে তদন্তাধীন কোন কোন খুনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) আদালতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বার বার সময় চেয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু তারা খুনের মামলাগুলোর কোন কূলকিনারা করতে পারছেন না।
একশ্রেণির তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপেশাদারিত্ব, দায়িত্ব পালনে অবহেলার ও উদাসীনতার জোরালো অভিযোগ রয়েছে। ফলে খুনসহ বিভিন্ন অপরাধের রহস্যগুলো রহস্যই থেকে যাচ্ছে। চাঞ্চল্যকর খুনের মামলার তদন্তেরই এমন অবস্থায় অন্যান্য খুনের মামলার তদন্তের হাল কি হতে পারে তা নিয়ে অপরাধ বিশেষজ্ঞরা সন্দিহান।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ক্লুলেস খুনের ঘটনাগুলোর তদন্ত কর্মকর্তা বার বার বদল করা হয়েছে বা হচ্ছে। ফলে অনেক খুনের ঘটনার রহস্য উন্মোচনে অনাকাক্সিক্ষতভাবে দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হয়েছে। আবার কিছু কিছু চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা প্রকৃত আসামীদের বাঁচানোর জন্য তদন্তের গতি কমিয়ে রহস্যাবৃত করা হচ্ছে। তদন্ত কর্তৃপক্ষ ওসব ক্লুলেস খুনের ঘটনা তদন্তের এক পর্যায়ে এসে হাল ছেড়ে দিচ্ছেন।
আবার এমনও হয়েছে যিনি একটি চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা তদন্ত করছেন তার ওপর আরো আরো চাঞ্চল্যকর খুনের মামলার তদন্ত চাপিয়ে দেয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা আর কূল-কিনারা করতে পারছেন না। ফলে বিপুলসংখ্যক হত্যা মামলার তদন্ত বছরের পর বছর চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। কিন্তু খুন রহস্যের কোন কূল-কিনারা করতে পারছেন না। ন্যায়বিচার বঞ্চিত হচ্ছেন ভিকটিমদের স্বজনরা।
মূলত, চাঞ্চল্যকর খুনের মামলার তদন্তে তদারকি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আর র‌্যাব, সিআইডি, ডিবি ও থানা পুলিশ চাঞ্চল্যকর ওসব হত্যা মামলার তদন্ত করে। চাঞ্চল্যকর হত্যার মধ্যে কয়েকটি মামলা প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ঝুলে রয়েছে। আর ৫ বছরেও হত্যাকাণ্ডের মোটিভই উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি এমন মামলার সংখ্যাও অসংখ্য। তদন্ত চলছে, শিগগিরই অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে-এমন ধরনের ছেলে ভোলানো বক্তব্য দিয়েই পুলিশের তদন্তসংস্থা দায় এড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকি মামলার বাদী ও সাক্ষীরা তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তারা মামলার চার্জশিট দিতেও অনাকাক্সিক্ষতভাবে বিলম্ব করছে। মামলা প্রত্যাহার করতে বাদীদের হুমকি দেয়ার অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন সূত্র থেকে। ফলে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের মূল আসামীদের বাদ দিয়ে নিরপরাধদের আসামী করে চার্জশিট দেয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে কোন কোন তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এমতাবস্থায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির হাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর ভাগ্য ঝুলে আছে। বেশিরভাগ মামলার তদন্তেই অগ্রগতি নেই। সহসাই কোন অগ্রগতি হওয়ার সম্ভবনাও দেখা যাচ্ছে না। আর করোনা ভাইরাসের কারণে এখন আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাঞ্চল্যকর মামলাসংক্রান্ত বৈঠকও হচ্ছে না। ফলে মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হওয়ার কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, তদন্ত কর্মকর্তার অদক্ষতা এবং কতিপয় পুলিশের অপেশাদারিত্ব ও স্বেচ্ছাচারিতার  কারণেই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য অনুদ্ঘাটিত থেকে যাচ্ছে। ফলে অপরাধীদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। বিচার পাচ্ছে না ভিকটিমদের আত্মীয়-স্বজনরা। কেউ কেউ অপরাধ তদন্তে প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা বললেও সৎ ও যোগ্য তদন্ত কর্মকর্তার অভাবে তাও সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, তদন্ত কর্মকর্তার আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের অভাব থাকলে শুধুই প্রযুক্তি দিয়ে কোন কিছু করা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় পুলিশের মধ্যে  মূল্যবোধ, পেশাদারিত্ব সৃষ্টি ও দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়ার  প্রয়োজনের তাগিদ এসেছে বিভিন্ন মহল থেকেই। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের এখন পর্যন্ত ইতিবাচক তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে সমস্যা সমস্যাই থেকে যাচ্ছে।
পুুলিশ সদর দফতর সূত্র বলছে, মনিটরিং সেলে যেসব মামলা রয়েছে সেখানে রাজনৈতিক বিবেচনার কারণে তদন্ত ব্যাহত হচ্ছে। ঢাকার বাইরে যেসব মামলা আছে সেখানেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
মামলা তদন্তে অনাকাক্সিক্ষতভাবে কালক্ষেপণ ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই দেশে মামলার জট বাড়তে বাড়তে এখন রীতিমত অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬ সাল শেষে সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ৩১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৮। পুরনো পরিসংখ্যান থেকেও এটি স্পষ্ট যে বহু বছর ধরে দায়ের করা মামলার সংখ্যা নিষ্পত্তি করা মামলার চেয়ে অন্তত কয়েক লাখ বেশি থাকে। প্রতিবছরই বিচারাধীন মামলার তালিকায় যোগ হচ্ছে অসংখ্য নতুন মামলা। অথচ আগের মামলাই নিষ্পত্তি করতে পারছেন না আমাদের বিচার বিভাগ। আর অনিবার্য পরিণতি হিসেবে বিচারাঙ্গনে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘসূত্রতা ও মামলাজট। মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিচারব্যবস্থায় বর্তমানে প্রচলিত সেকেলে ধারা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসার আবশ্যকতা রয়েছে। কিন্তু বিষয়টি দেখভাল করার দায়িত্ব রয়েছে, তারা বিষয়টি নিয়ে রহস্যজনকভাবে উদাসীন। ফলে বিচারের বাণী নিভৃতেই কাঁদছে।
যে কারণেই হোক বিলম্বিত বিচার মূলত বিচার অস্বীকারের শামিল। রাশিয়ান কবি Yevgeny Yevthushenko বলেছেন, ‘Justice is like a train that is nearly always late.’ কিন্তু বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা এতটাই মন্থর যে মামলা চালানোর মোট ব্যয়, বহু ক্ষেত্রে মামলার মোট মূল্যমানকেও অতিক্রম করছে।
বছরের পর বছর মামলার গ্লানি টানতে গিয়ে মামলার পক্ষরা একদিকে নিঃস্ব হচ্ছে, অন্যদিকে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা কমতে কমতে এখন তলানীতে এসে ঠেকেছে। যা অনাকাক্সিক্ষত ও অনভিপ্রেত এবং রাষ্ট্রের স্বাধীন স্বত্তার প্রতি সংগতিপূর্ণ নয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি ওয়ারেন বার্জার ওয়ার্ল্ডনেট এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘সম্ভাব্য ন্যূনতম ব্যয়ে, ন্যূনতম সময়ে ও পক্ষদের ওপর সামান্য চাপ রেখে ন্যায়বিচার সাধন করাই হবে বিচারবিভাগীয় পদ্ধতির কাজ।’ কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের দুর্বলতা রীতিমত উদ্বেগের।
আমাদের দেশে শুধু বিচারে দীর্ঘসূত্রতাই নয় বরং যথাসময়ে অপরাধ তদন্ত না হওয়াও বড় সমস্যা। ফলে একদিকে বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, আর বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধপ্রবণতাও ক্রমবর্ধমান। তাই দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমাদেরকে এই অশুভ বৃত্ত থেকে বেড়িয়ে এসে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় রাষ্ট্রের সফলতাকে প্রশ্নমুক্ত করা যাবে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ