মঙ্গলবার ৩০ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

সমুদ্রে আধিপত্য নিয়ে জেলেদের মধ্যে সংঘর্ষ : আহত ২১

এস,এম, সালাহ্উদ্দীন, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) : বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আনোয়ারা গহিরা এলাকার জেলেদের সাথে বাঁশখালী খানখানাবাদ এলাকার জেলেদের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এই ঘটনায় মোঃ নাছির (৩০) নামের এক জেলে নিহত হওয়ার বিষয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে দুই উপজেলার মাঝে। জানা যায়, ইলিশের মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে গভীর সাগরে বাঁশখালী উপজেলার জেলেদের সাথে আনোয়ারা উপজেলার গহিরার জেলেদের জাল বসানোর 'ফার' দখলকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে। কুরবানির ঈদের আগে আনোয়ারার জেলেরা বাঁশখালীর বেশ কয়েকজন জেলেকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করে উপকূলে নিয়ে আসেন। পরে আনোয়ারা উপজেলার ৩ নং রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানে আলমের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর গত মঙ্গলবার দুপুরে বাঁশখালী খানখানাবাদ এলাকার মোঃ এনাম ও আবুল বশরের মালিকানাধীন বড় মাওলানা ফিশিং বোটটি ২২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলতে গেলে আনোয়ারা গহিরা এলাকার দুইটি ফিশিং বোটের সাথে আবারও সংঘর্ষ হয়। এই সময় বাঁশখালীর বোটে থাকা ২১ জেলে আহত এবং ১ জন নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বাঁশখালীর জেলেরা। এই বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সফিউল কবীর বলেন, লাশটা পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য এটার পোস্টমর্টেম এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখন এই বিষয়ে  বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না। জানা যায় নিহত মোঃ নাছির বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ডোয়ালিয়া পাড়া গ্রামের শামশুল আলমের ছেলে। তিনি বাঁশখালী উপজেলার কদমরসুল কুইন্নার পাড়া গ্রামের মোঃ মুহিবুল্লার মেয়ে রানু আক্তারকে বিয়ে করেন এবং তার ১ ছেলে ১ মেয়ে আছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ