শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

৩৮ হাজার ২৮৬ প্রার্থীর তালিকা মন্ত্রণালয়ে

স্টাফ রিপোর্টার : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ফলে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ পাওয়া ৩৮ হাজার ২৮৬ জনের তালিকা পুলিশ ভেরিফিকেশনে যাচ্ছে।

সুপারিশ পাওয়াদের তালিকা গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

জানা যায়, পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা প্রার্থীদের সমস্ত তথ্য নেয়া হয়েছে টেলিটক থেকে। যেখানে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীর সমস্ত তথ্য মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার পৃষ্ঠা হয়।

পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা এনটিআরসিএ-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল গত ১৫ জুলাই রাতে ওয়েব সাইটে প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

তবে ৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জনকে এবং ননএমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে।

আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটা পদে প্রার্থী না পাওয়ায় মোট ১৫ হাজার ৩২৫টি পদের ফল দেয়া সম্ভব হয়নি।

শিক্ষক নিবন্ধনের ১ থেকে ১২তম পর্যন্ত পাস করেও চাকরি না পাওয়া ২ হাজার ৫০০ জনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এনটিআরসিএকে সুপারিশ করে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। সে রায় ২৮ জুন বাতিল করে দেয় আপিল বিভাগ।

চলতি বছরের ৩০ মার্চ তৃতীয় ধাপে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৫৪ হাজার ৩০৪ শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্যপদের মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩১ হাজার ১০১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত পদ ২৬ হাজার ৮৩৮টি। মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে মোট শূন্যপদ ২০ হাজার ৯৯৬টি। এর মধ্যে ১৯ হাজার ১৫৪টি এমপিওভুক্ত। আর ২ হাজার ২০৭টি এমপিও পদে রিট মামলায় অংশগ্রহণদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়।

এসএসসি-এইচএসসির  অ্যাসাইনমেন্টের বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা : ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট এবং পরীক্ষার বিষয়ে গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষাবিষয়ক উপ-কমিটি এ গাইডলাইন প্রকাশ করে। গাইডলাইনের আওতায় সবাইকে আনা হলেও আবশ্যিক চতুর্থ বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীদের বাইরে রাখা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষাবিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়, কোভিড-১৯-এর কারণে ২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি সমমান পরীক্ষা পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী শুধু গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সময় ও নম্বর কমিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।

পরীক্ষায় নিয়মিত, অনিয়মিত, প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ও জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধু তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে।

এছাড়া আংশিক বিষয়ে অকৃতকার্য অথবা এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী যদি নৈর্বাচনিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়, সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীকে তার অকৃতকার্য নৈর্বাচনিক বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। আবশ্যিক ও চতুর্থ বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীকে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে না।

আদেশে আরও জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট থেকে অ্যাসাইনমেন্ট সংগ্রহ করে নির্দেশিকা অনুযায়ী সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।

এর আগে গত সপ্তাহে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে সে সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা জারি করে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ