শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

গার্মেন্ট কারখানা খুলে দেয়ার চিন্তা সরকারের নেই -জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোটার : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে দেশে তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার বিষয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখন পর্যন্ত সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু গার্মেন্ট ও রফতানিমুখী কলকারখানাগুলো বন্ধ রেখেছি, লাখ লাখ শ্রমিক আসা-যাওয়া করতো, সেগুলো কমেছে। এগুলো ছাড়াও আরও বিভিন্ন কারণ আছে, যে কারণে মানুষ বাইরে আসছে। অযৌক্তিক কারণে কেউ বের হলে কিন্তু আইনের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’ এছাড়া হাসপাতাল থেকে শুরু করে জরুরি সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষ বাধাহীনভাবে চলাফেরা করতে পারছেন বলে জানান তিনি।
সরকারের দেয়া কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও অনেকে শিল্পকারখানা চালু রেখেছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেউ খুলেছেন বলে শুনেছি। কোনও মালিক আসলেই কারখানা খুলেছেন কিনা তা পর্যবেক্ষণ করছি। জানার চেষ্টা করছি কারা খুলছে? যদি কেউ খুলে থাকেন, যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফরহাদ হোসেন বলেন, বর্তমানে কঠোর বিধিনিষেধের কোনও যেভাবে ছড়িয়ে গেছে, সে বিষয় নিয়ে আজ কেবিনেটে আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাস্তায় চেকপোস্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন জানতে চাচ্ছেন, কী কারণে রাস্তায় নেমেছেন, তখন তারা বলছেন আমার চাকরিতে যেতে হচ্ছে। আসলে এটার সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করছি। তারা যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম বলেছে, সেগুলো চেক করার চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে শিল্প-কারখানা খোলার প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। এই বিধিনিষেধ থাকবে আগামী ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত। খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত মিল-কারখানা, কুরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ এবং ওষুধ শিল্প কারখানা বাদে সব শিল্প কারখানা, সরকারি-বেসরকারি অফিস বিধিনিষেধে বন্ধ থাকার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভার বৈঠকে করোনা যে পরিস্থিতিতে ছড়িয়ে গেছে, সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা কঠিনভাবেই তো প্রজ্ঞাপন জারি করেছি। এ ব্রেকটা খুব দরকার।’ ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের সংক্রমণ কমানোর জন্য ব্রেক প্রয়োজন। ব্রেকটার জন্য এটাই উপযুক্ত কৌশল, সেটি হচ্ছে বিধিনিষেধ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ