রবিবার ২৮ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

জোয়ারের পানিতে ডুবন্ত মহানগরীতে পরিণত হচ্ছে খুলনা

খুলনা অফিস : খুলনা শহরের ৩১, ৩০, ২৯, ২৮, ২৭ ও ২৪ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় প্রতি আমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে পুরাতন শহর রক্ষা বাঁধ ও স্লুইচ গেট উপচিয়ে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করে নগর ও নগরবাসীর বাড়িঘর সয়লাব হয়ে অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করছে। বিগত ৫/৬ বছর যাবৎ জোয়ারের লবণাক্ত পানি নগরীর ৬টি ওয়ার্ডের লক্ষাধিক মানুষের বাড়িঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অথচ খুলনা সিটি কর্পোরেশন সেব্যাপারে চরম উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে। খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে আরো অভিযোগ করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থায় শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হয়ে ড্রেনের জমাট বাঁধা পানির সাথে যুক্ত হয়ে নগরবাসীর বাসাবাড়িতে প্রবেশ করে নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি করছে। ফলে বাসাবাড়ি মানুষের বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে। সে দিকে নজর না দিয়ে উন্নয়নের নামে রাস্তা উঁচু করার ফলে রাস্তার পানিও এখন মানুষের বাসাবাড়িতে প্রবেশ করছে। নদীর পানি. ড্রেনের পানির কারণে অধিকাংশ বাড়ির নিচতলায় এখন আর মানুষ বাস করতে পারছে না। ফলে অর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নগরবাসী। আর এ ক্ষতির জন্য দায়ি একমাত্র খুলনা সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা ও ড্রেনেজ নির্মাণে পরিকল্পনার অভাব। বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকার খুলনা শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন। আর ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার পাইলিং ও জিও টেক্সাটাইল দিয়ে ব্লক তৈরি করায় গত ৪৫ বছর নগর সুরক্ষিত থাকলেও পরবর্তী সময়ে খুলনা শহর রক্ষা বাঁধের দিকে নজর না দেয়ায় খুলনা নগরী এখন হুমকির মুখে। নেতৃবৃন্দ শহর রক্ষার্থে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সমীক্ষা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, এডভোকেট বজলুর রহমান, এডভোকেট এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ