ঢাকা, মঙ্গলবার 28 September 2021, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩ হিজরী
Online Edition

করোনা মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র ভুল পথে: ফাউচি

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:টিকার বাইরে থাকা লোকজনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রধান চিকিৎসা বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফাউচি বলেছেন, কোভিড মোকাবেলায় ভুল পথে রয়েছে দেশ।

রোববার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকা নেওয়া লোকজনের জন্য মাস্ক ব্যবহারের বিধি নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এছাড়া যারা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন, তাদেরকে টিকার দুই ডোজের অতিরিক্ত ‘বুস্টার’ ডোজ দেওয়ার বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে ফাউচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ‘টিকা না পাওয়া লোকজনের মধ্যে মহামারী আকার ধারণ করছে।” 

যেসব এলাকায় টিকা দেওয়ার হার কম সেসব জায়গায় এই ভাইরাসের ডেল্টা ধরনের কারণে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ কোটি ২৭ লাখ মানুষকে টিকার দুটি ডোজ দেওয়া হয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার ৪৯ শতাংশ।  

গত এপ্রিল পর্যন্ত টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর তালিকায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রে। এর পর থেকেই সেখানে টিকা দেওয়ার হার কমতে থাকে।

বিশেষ করে দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে টিকা দেওয়ার হার বেশ কম। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব রাজ্যের বাসিন্দাদের অর্ধেকেরও কম টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে গত মে এবং জুন মাসে দৈনিক শনাক্তের হার কমে আসলেও তা আবারও বাড়তে শুরু করে। এরই মধ্যে দেশটিতে মোট শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ৪০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছয় লাখ ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।

ভারতে শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক ‘ডেল্টা ধরনের’ কারণে আক্রান্তের এই ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ফ্লোরিডা, টেক্সাস এবং মিসৌরির মতো টিকা দেওয়ার হার যে সব রাজ্যে কম সেখানেই সংক্রমণ বাড়ছে।

এ সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল বিবেক মূর্তি জানান, কোভিড আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, তাদের ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ ছিলেন টিকার বাইরে।

সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ড. ফাউচি বলেছেন, টিকা দেওয়ার হার কম এমন এলাকার স্থানীয় নেতাদের উচিত লোকজনকে টিকা দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ