মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

রাজধানীর উদ্যান ও পার্কগুলোর বেহাল দশা

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল : মেগাসিটি ঢাকার জনসংখ্যা দুই কোটিরও  বেশী। সময়ের সঙ্গে এ সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে সবুজ। ক্রমাগত সবুজ হারানো এ শহরের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত উদ্যান-পার্কগুলো সবুজের এক বড় আশ্রয়। কিন্তু বর্তমানে রাজধানীর উদ্যান ও পার্কগুলোর বেহাল দশার পাশাপাশি যেন অপরাধের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অধিকাংশ পার্ক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জৌলুস হারাচ্ছে। পাশাপাশি উদ্যানগুলো হকার, মাদকসেবী ও যৌনকর্মীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। করোনা মহামারির কারণে রাজধানীর অধিকাংশ পার্ক বা  উদ্যানই এখন  বন্ধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অনুপস্থিতির কারণে পার্কগুলোর সেভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছেনা। এমনিতেই বিগত ৪০ বছরে ঢাকা শহরে উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো পার্ক বা উদ্যান তো গড়ে উঠেইনি বরং পুরনোগুলোও ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। পার্কগুলোর অপরিচ্ছন্নতা, যত্রতত্র মানুষের প্রস্রাব ও ময়লা-আর্বজনার দুর্গন্ধ নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। মাদকসেবী, যৌনকর্মী ও জটাধারীদের আপত্তিকর বিচরণে অনেক সময় সাধারণের প্রবেশ কঠিন হয়ে পড়ে। বাতিবিহীন পার্কগুলোর রাতের চিত্র আরও উৎকট রূপ ধারণ করে। শুষ্ক মওসুম ও বর্ষাতে ঘাসহীন পার্কগুলো ধুলাবালি ও কাদা পানিতে একাকার হয়ে যায়। ভাঙাচোরা সীমানাপ্রাচীর ও লোহার গেট দৈন্যদশাকে আরও প্রকটভাবে ফুটিয়ে তোলে। গত প্রায় একবছর ধরে করোনার কারণে প্রায়শ বন্ধ থাকা পার্কগুলোর অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পার্কগুলো তদারকিতে যারা আছেন তাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে আরও মনোযোগী হতে হবে। অন্যথায় এসব পার্ক ব্যবহারেরই অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
ইট-পাথরের শহরের ঘিঞ্জি পরিবেশে মানুষ হাঁপিয়ে উঠছে। করোনার কারণে সেটি যেন আরও দীর্ঘ হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ছোট বাচ্চারা বাসায় থেকে যেন হাফিয়ে উঠছে। এমনিতেই বড় রাস্তায় ফ্লাইওভার, মার্কেট, আকাশছোঁয়া বিল্ডিংয়ের কারণে সূর্যের আলো, রাতের মায়াবী চাঁদের স্নিগ্ধতা উপভোগ করার জো নেই। অনেক শিক্ষার্থী উন্মুক্ত প্রান্তর ও খেলার মাঠবিহীন বহুতল ভবনের কোনো ফ্লোরের দু’তিন কক্ষ সংবলিত শিক্ষায়তনে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে ফেলছে। ঢাকাসহ দেশের ব্যস্ত শহরগুলোতে একটু ফাঁকা জায়গা, পাখির গুঞ্জন, গাছগাছালি ও সবুজের মধ্যে স্বস্তিকর পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা ভীষণভাবে অনুভূত হচ্ছে। তারপরও মনে হচ্ছে, অবস্থার উত্তরণে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। কিন্তু আজ থেকে ৪০০ বছর আগে মোগল শাসকরা বুঝতে পেরেছিল, একদিন এ নগরী জনমানুষের পদভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়বে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজের আবেশ ও খোলা-উন্মুক্ত পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা তারা তখনই অনুভব করেছিল। মোগলরা ইসলামী ঐতিহ্যের ধারা বজায় রেখে ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় সুদৃশ্য বাগান এবং ১৬১০ সালে বাংলায় তাদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরপর রমনা পার্ক তৈরির উদ্যোগ নেয়। তখন এর নাম দেয়া হয় বাগ-ই বাদশাহী। এখনকার ইস্কাটন থেকে নীলক্ষেত, সচিবালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ পর্যস্ত বিস্তৃত এ বাগানের সৌন্দর্যবৃদ্ধি ও পরিচর্যা পুরোদস্তুর চলতে থাকে। পরবর্তী সময়ে ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে নবাবদের রাজধানী স্থানান্তর ও কোম্পানি আমলে রমনা রাষ্ট্রীয় দৃষ্টির বাইরে যেতে যেতে তার সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলে। ধীরে ধীরে পুরো এলাকাটি জঙ্গলে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। ১৮২৫ সালে ঢাকায় ইংরেজ কালেক্টর মি. ডন্স নগরীর উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কারাবন্দিদের দিয়ে রমনার জঙ্গল পরিষ্কার করে আবারও বাগান এবং উদ্যানে পরিণত করার পদক্ষেপ নেন। ১৯০৮ সালে লন্ডনের কিউই গার্ডেনের অন্যতম কর্মী আরএল গ্রাউডলকের তত্ত্বাবধানে ঢাকা শহরে শুরু হওয়া নিসর্গ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রায় ২০ বছর ধরে রমনা পার্কের উন্নয়ন কাজ চলে। ৬৮.৫০ একর জমি নিয়ে গঠিত এ পার্কে ফুল, ফল, ঔষধি, বনজসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ আছে।
১৯ শতকের প্রথমার্ধে নবাব আবদুল গণির উদ্যোগে নির্মিত বাহাদুর শাহ পার্কের নাম ছিল ভিক্টোরিয়া পার্ক। ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের কয়েকজন বিদ্রোহীকে এখানে ফাঁসি দেয়া হয়। স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের স্মরণে ১৯৫৭ সালে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহের নামে পার্কের নামকরণ হয়। পুরান ঢাকার ওয়ারীতে ৩.১৫ একর জমির ওপর ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বলধা গার্ডেন বাংলাদেশের প্রাচীনতম বোটানিক্যাল গার্ডেন হিসেবে খ্যাত। ভাওয়ালের জমিদার নরেদ্র নারায়ণ চৌধুরী এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে ৬৭২ প্রজাতির গাছ রয়েছে। ঢাকার জনমানুষের কাছে পার্ক, উদ্যান বা সবুজ মানেই হল ওপরের এ পার্কগুলো। ঢাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার সুপারিশে প্রতিটি নাগরিকের জন্য মাথাপিছু .০৫২ বর্গমিটার পার্ক ও ০.৫ বর্গমিটার খোলা সবুজ জায়গা থাকার কথা বলা হয়েছে।
একটি বাসযোগ্য নগরে মোট আয়তনের ১০ শতাংশ খোলা প্রান্তর ও পার্ক থাকা দরকার। আমাদের আছে মাত্র ৪ শতাংশ। সিটি কর্পোরেশনের হিসাবমতে, বড় আকারের উদ্যান ছাড়া রাজধানীতে পার্ক রয়েছে ৪৭টি আর খেলার মাঠ ১০টি। এর বাইরে ঢাকা শহরে আরও কিছু পার্ক আছে। বিগত ৪০ বছরে ঢাকা শহরে উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো পার্ক বা উদ্যান তো গড়ে উঠেইনি বরং পুরনোগুলোও ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না।
ঢাকার শ্যামলী এলাকায় আশা টাওয়ারের পেছনের পার্কটিতে সন্ধ্যার পর মানুষের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মত। বছর তিনেক আগে নতুনভাবে সাজানো ও হাঁটার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পার্কের বিভিন্ন জায়গায় টাইলস লাগানো বেঞ্চি ও মানসম্পন্ন আধুনিক টয়লেট তৈরি করা হয়েছে। টয়লেট পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সার্বক্ষণিক লোক নিয়োজিত আছে কিন্তু পার্কের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বালাই নেই বললেই চলে। ফেরিওয়ালারা রাতে ঝোপের আড়ালে প্রস্রাব করছে। বেঞ্চিগুলোয় ছোপ ছোপ কাদা লেগেই থাকে, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। অপরিচ্ছন্ন পার্কে পরিপাটি টয়লেট দেখে মনে হয় টয়লেটকে ফোকাস করার জন্যই বোধকরি এ পার্কটি তৈরি করা হয়েছে।
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা গুলিস্তান জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন ওসমানী উদ্যান। ঢাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলোর অন্যতম এই  উদ্যানের পরিবেশ মাদকসেবীরা নষ্ট করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  সরেজমিনে দেখা যায়, উদ্যানের প্রবেশ পথেই বসানো হয়েছে কয়েকটি চা-সিগারেটের দোকান। এছাড়া লাইন ধরে বসে আছে হকাররা। আর একটু ভেতরে গেলেই দেখা মিলবে জটলা বেঁধে বসে মাদক সেবনের দৃশ্য। এছাড়া অনেককেই মাতাল অবস্থায় উদ্যানের ভিতরে চলাচলের রাস্তায় শুয়ে বা ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যাবে। রাজধানীর গুলিস্তানে এসেছিলেন ব্যবসায়ী শ্যামল। কিছুটা ক্লান্তি দূর করতে সবুজে ঘেরা এ উদ্যানে এসেছিলেনন তিনি। কিন্তু উদ্যানের ভেতরে মাদক সেবনের চিত্র দেখে বের হয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, পার্ক বা উদ্যানের এমন পরিবেশ হওয়া উচিত যেটা মানুষকে আকর্ষণ করবে। কিন্তু এখানকার  পরিবেশ দেখে দ্বিতীয় দিন আসার কারো মানসিকতা থাকবে বলে মনে হয় না।
রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে শিশুপুত্রকে নিয়ে উদ্যানে এসেছিলেন কাউসার রহমান। তিনি বলেন, সবুজায়নে ঘেরা এই উদ্যান দেখাতে শিশুসন্তানকে নিয়ে এসেছি। কিন্তু এসেই পড়েছি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। উদ্যানজুড়েই মাদকসেবীদের আনাগোনা, প্রকাশ্যে মাদক সেবনের চিত্র। আমার ছেলে বারবার প্রশ্ন করছে, ‘বাবা ওরা কি করছে’? কিন্তু আমি তাকে জবাব দেওয়ার মত কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছি না।
নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় মুক্ত বায়ু সেবনের ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬টি পার্ক ও খেলার মাঠ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ‘জল-সবুজের ঢাকা’ প্রকল্পের আওতায় ১৯টি পার্ক ও ১২টি খেলার মাঠের সংস্কার কাজ চলছে। এসব পার্কে হাঁটাচলা, ব্যায়ামের জায়গা, শিশুর খেলার ব্যবস্থা, কফি কর্নার, আধুনিক টয়লেটের সুবিধা থাকবে মর্মে সংশ্লিষ্ট তরফ থেকে জানা গেছে। সিটি কর্পোরেশন পার্কগুলো সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে আশা করা যায়, এগুলো অতিসত্বর মানসম্পন্ন পর্যায়ে উন্নীত হবে।
আমাদের দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে যেসব দর্শনীয় জায়গা ও স্থাপনা আছে, সেগুলোর মিনিয়েচার ও রেপ্লিকা ঢাকার বিভিন্ন পার্কে স্থাপন-নির্মাণ করে নতুন আঙ্গিকে সাজানো যেতে পারে। এতে জনমানুষের কাছে এগুলোর কদর ও গুরুত্ব যেমন বাড়বে, সঙ্গে সঙ্গে শিশু ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণেও নতুন মাত্রা যুক্ত করা। উইকিপিডিয়া মতে, বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ ২.৫২ মিলিয়ন হেক্টর, যা মোট আয়তনের ১৭.০৮ শতাংশ। একসময় এসব গভীর অরণ্য জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ ছিল। কালক্রমে অরণ্যের পরিমাণ কমতে থাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ধরনের বনব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালু হয়েছে। যেমন- জাতীয় উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সাফারি ও ইকোপার্ক। এখন পর্যন্ত বন অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণে ৯টি ইকোপার্ক তৈরি করা হয়েছে। এগুলো হল- সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক, বঙ্গবন্ধু যমুনা ইকোপার্ক, কুয়াকাটা ইকোপার্ক, টিলাগড় ইকোপার্ক, জাফলং গ্রিন পার্ক, বড়শিজোড়া ইকোপার্ক। এ দর্শনীয় স্থানগুলোর কোনো প্রচার-প্রচারণা নেই। মানুষজনকে যদি জানানোই না যায়, তবে কেন তারা ওখানে যাবে? পর্যটন কর্পোরেশনের লিফলেট-বুকলেটে এসবের নাম ও বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের পার্কগুলো যে দফতর বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণেই থাকুক না কেন, এগুলো পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার। দু-একজন লোক দিয়ে পার্কগুলো পরিষ্কার রাখা কঠিন। পার্কের আশপাশের উদ্যোগী ব্যক্তি-সিনিয়র সিটিজেনদের সার্বিক দায়িত্বে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। এতে তারা সম্মানিতও হবেন এবং তাদের দ্বারা সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণও সম্ভব হবে। এছাড়াও আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা ও আইন-আদেশ চালুর চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। জনচাহিদাকে মাথায় রেখে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পার্কগুলোকে পরিপাটি ও সুন্দর করে সাজাতে প্রাইভেট-পাবলিক, এমনকি পুরোপুরি বেসরকারি উদ্যোগে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। তাতে যদি দর্শনির বিনিময়ে পার্কে প্রবেশ করতে হয়, উন্নত ব্যবস্থাপনার স্বার্থে সেটাও মেনে নেয়া যেতে পারে। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আমাদের অনেক ভালো ভালো উদ্যোগ, কার্যক্রম ও ভৌত অবকাঠামো শুধু ব্যবস্থাপনার অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সব উদ্যোগ থেকে সর্বোচ্চ সেবাপ্রাপ্তির চেষ্টা করতে হবে। আমাদের যতটুকুই আছে, সেটাকে অন্তত পরিপাটি করে রাখতে হবে। শুভ চিন্তা, সৎ উদ্যোগ এবং কর্তব্যে সচেতনতার মাধ্যমে ক্ষুদ্র সম্ভার ও আয়োজনকেও সৌকর্যের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ