ঢাকা, মঙ্গলবার 28 September 2021, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩ হিজরী
Online Edition

রোববার থেকে ব্যাংক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহা ও সাপ্তাহিক ছুটিতে পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর আগামীকাল ব্যাংক লেনদেন শুরু হচ্ছে। নভেল করোনাভাইরাস অতিমারি মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রোববার (২৫ জুলাই) থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সীমিত পরিসরে ব্যাংক লেনদেন চলবে। এ সময় প্রতিদিন সকাল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে। তবে ব্যাংকের লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে।

এর আগে, গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিধিনিষেধে লেনদেন চালু রাখা সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় যথাসম্ভব কম জনবল দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে) বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক। এ সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে। লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। লেনদেন চলাকালীন মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসমূহসহ ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে।

প্রজ্ঞাপন আরও বলা হয়, আলোচিত সময় ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের হিসাবে নগদ/চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ করেত হবে।

পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা/অনুদান বিতরণ, একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও অনলাইন সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকের সকল গ্রাহকের এবং উক্ত সুবিধা বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস্/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান এবং জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত কার্যাবলি নিশ্চিত করতে হবে। কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এ ছাড়া এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, বিধি-নিষেধ চলাকালে যে সকল শাখা বন্ধ থাকবে সে সব শাখার গ্রাহক সেবা কার্যক্রম খোলা রাখা শাখার মাধ্যমে সম্পাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বন্ধকৃত শাখার গ্রাহকগণের গ্রাহক সেবা প্রাপ্তি বিষয়ে অবহিত করতে উক্ত শাখার দৃশ্যমান স্থানে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে। বিধি-নিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা/কর্মচারিদের নিজ নিজ অফিসে যাতায়াতের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ