সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

কারখানাগুলোতে বিল্ডিং কোড মানা হচ্ছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার -আইএলও

স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইলের কর্ণগোপ এলাকায় সজীব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হাসেম ফুডস লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৫২ জনের মৃত্যুর পর এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) বলেছে, কারখানাগুলো বিল্ডিং কোড মেনে নির্মিত হয়েছে কিনা এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে নিয়মকানুন মানা হচ্ছে কিনা, তা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কারখানামালিকদের খতিয়ে দেখা দরকার।
রূপগঞ্জের ঘটনায় হতাহতদের প্রতি গভীর শোক জানিয়ে গতকাল শনিবার এই বিবৃতি দেয় আইএলও। এতে বলা হয়, হাজার হাজার শ্রমিক দিনের বেশির ভাগ সময় কারখানায় কাটান। আইনকানুন মেনে ভবন নির্মাণ ও কারখানা পরিচালনা করলে অগ্নিদুর্ঘটনার মতো জরুরি মুহূর্তে শ্রমিকেরা নিরাপদে বের হওয়ার সুযোগ পান। রানা প্লাজা ধসের পর তৈরি আইএলও পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার, মালিকপক্ষ, শ্রমিক সংগঠন ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, রূপগঞ্জের ঘটনার পর পোশাকের বাইরের অন্যান্য কারখানায় উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে পদক্ষেপ নেয়া হলে আইএলও সহযোগিতা করবে।
হাসেম ফুডস লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের পর দেশের শিল্পকারখানার কর্মপরিবেশ নিরাপদ করতে যেসব ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে সব পক্ষের জোর চেষ্টা থাকবে বলে বিবৃতিতে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। উল্লেখ্য যে, গত বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইলের কর্ণগোপ এলাকায় সজীব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হাসেম ফুডস লিমিটেডের কারখানায় আগুন লাগে। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে কারখানার চারতলায় আবারও আগুন বাড়তে থাকে। নেভাতে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট। তাদের চেষ্টায় ২১ ঘণ্টা পর শুক্রবার দুপুরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে অন্তত ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ভবনটির প্রথম থেকে ষষ্ঠতলা পর্যন্ত তল্লাশি করে ৪৯ জনের লাশ পান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ