শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

গাইবান্ধায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ॥ অভিযোগ ৭ সংগঠনের

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: জেলা শহরের ভেতর দিয়ে চলা চার লেনের সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে সাতটি সংগঠন। এসব সংগঠন ও এক আইনজীবীর পক্ষ থেকে গত সোমবার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএম বিল্ডার্স। একই বিষয়ে ১৬ জুন অভিযোগ দেন গাইবান্ধার সচেতন নাগরিকেরা। সাত সংগঠন ও আইনজীবীর লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রথম দিকে দিনের বেলা কাজ করা হতো। কিন্তু দুই মাস ধরে প্রতিদিন রাত ১০টার দিকে কাজ শুরু করা হয়, চলে ভোররাত পর্যন্ত। এ সুযোগে সওজ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছেন ঠিকাদার। রাতে নর্দমা পাকা করার জন্য চিকন (নন–গ্রেড) রড বিছানো হচ্ছে। ঢালাইকাজেও নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকেরা তড়িঘড়ি করে রাতে কাজ করেন।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সড়ক নির্মাণে নিচে ও ওপরে নিম্নমানের খোয়া ও বালু দেওয়া হচ্ছে। দুবার করে খোয়া ও বালু দেওয়ার নিয়ম থাকলেও দেওয়া হচ্ছে একবার। এ ছাড়া শহরের পুরোনো জেলখানা এলাকায় নর্দমা করা হয়েছে ছয় ফুট দক্ষিণে সরিয়ে। এতে সড়ক সংকুচিত হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বলেন, ‘ইতিমধ্যে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলীকে ডেকে বলেছি, নিম্নমানের সামগ্রী যেন ব্যবহার করা না হয়। ঠিকাদার যেন গুণগত মানের সামগ্রী ব্যবহার করেন।’ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএম বিল্ডার্সের নিয়োজিত প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়। কাজের সময় সওজ বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করছেন। দিনে কাজ করলে যানজট ও মানুষের ভোগান্তি হয়। তাই রাতে কাজ করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ